যে চিঠি বিলি হবে না

Ami ekta pistoler mukhe dariye achhi..Ektu edik odik holei amar jibon chole jabe,sei sathe sara jiboner somman nosto hobe,j somman rokkharthe amar baba maa eto olpo boyose amak biye diye diyechilo,Ami etota bochor chesta korechi amar baba maa er somman rokkha korar..ekhon ei ses boyose jodi seta nosto hoye jay..Ami puru jiboner Sob teg sob sob kichui bifol hoye jabe dusto..asha kori tumi amar kotha guli bujhte parcho.
 
তোমার সন্মান হানী হয় এমন কোনো কাজ আমি আর কখনো করবোনা ইনশাআল্লাহ। ভরসা রেখো আল্লাহ এর উপর। আস্থা রেখো আমার উপর। যেদিন বলছো আমায় ভালোবাসো, এটা মিথ্যে নয়, সেদিনই আমি আমার পৃথিবী টা কে পেয়েছি। আমার আর কিছুই পাওয়ার বা হারাবার নেই। তুমি অনেক বিপদে আছো জানি। আর বিপদে ফেলছি না আমি তোমায়। আমার কলিজা টা রে বিপদে রেখে কি আমি শান্তি পাবো বলো। খুব বেশি ভালো থেকো তুমি।
বিশ্বঅলী খাজা বাবার ওসিলায় তোমাকে আল্লাহ সকল বিপদ থেকে মুক্ত রাখুক। খালেছ দিলে খাজা বাবার নাম করে আল্লাহর নিকট কিছু চাইলে আল্লাহ যে তাকে খালি হাতে ফিরান না সেটার জলন্ত প্রমাণ আমার তোমাকে পাওয়া।আমি বলেছিলাম আমি বেরথ, তুমি খুব দ্বিরও কণ্ঠে বলেছিলে, নাহ তুমি বেরথ না, তুমি সফল। আমি বলেছিলাম আমি আবারও সব হারিয়ে ফেললাম, তুমি বলেছিলে, নাহ তুমি কিছুই হারাও নি, তোমার সবই আজও আছে। বিশ্বাস করো মিষ্টি পরী, এখন আমার থেকে সুখী কেউ নেই পৃথিবীতে। আর কিছুই চাই না আমি। আমি তোমার হৃদয় টা ক হরন করতে পেরেছি মিষ্টি পরী। আমার হৃদয় থেকে তোমার হৃদয় টা কে পৃথিবীর কোন পিস্তল বা পারমানবিক বোম আলাদা করতে পারবে না ইনশাআল্লাহ্‌। আমার মরন হলেও আমি তোমায় আর কোন বিপদে ফেলব না ইনশাআল্লাহ্‌। দোয়া করি জামানার মহান অলীর উসিলায় মহান আল্লাহ তোমাকে সর্বপ্রকার বিপদ থেকে মুক্ত রাখুন।
 
মিষ্টি পরী, আমার ভাগ্যটাই যেনো কেমন। সেই ১৯৮৯ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি ১২ টা ১৪ মিনিটে ডাস্টারের বারি খেয়ে ধুলি ময়লা লাগিয়ে তোমায় প্রথম দেখলাম। আমার ভুতের মতো চেহারা দেখে তুমি কি হাসিটাই না হেসেছিলে। আমি তন্ময় হয়ে তাকিয়ে ছিলাম তোমার সেই মিষ্টি হাসির পানে। মিষ্টি মেয়ের মিষ্টি হাসি, সেদিন থেকেই আমি তোমার নাম দিলাম ‘মিষ্টি পরী’। সেদিনের সেই কথা কি ভুলার মতো বলো।

 

চুপচাপ বসে আছিক্লাসে তুমুল হট্টগোল চলছে। আমি বসে আছি চুপচাপহঠাৎ দুম করে আমার বুকে কিসের যেনো আঘাত লাগলো।খুব জোরে।এতো জোরে যে আমার চোখ দিয়ে পানি বের হয়ে গেলো। তাকিয়ে দেখি একটা ডাস্টার। একে তো ব্যাথা তার উপর আবার ডাস্টারের চকে মাথা মুখ বুক সাদা হয়ে গেলো। আমাদের সেই ক্লাসটির মাঝখানে টিনের বেড়া দিয়ে একটি ক্লাস রুমকে দুইটি ক্লাসরুম বানানো হয়েছে। টিনের ওপাশ থেকে হট্টগোল এর কারনে স্যার ডাস্টার ছুড়ে মেরেছে। আর সেটাই এতো মানুষ ফেলে আমার বুকেই আঘাত করছে।
যাই হোক আমাকে যেখানে বসিয়ে দিয়ে গেছে তার পাশেই মেয়েদের বসার বেঞ্চ। মাঝখানে সরু পথ। সেই সরু পথে পরে আছে সেই বিখ্যাত ডাস্টারটি। আমি নিচু হয়ে ডাস্টারটি তুলতে গেলেম। ডাস্টারটি পরেছে একটি মেয়ের পায়ের কাছে। ডাস্টার টি ধরলাম। তাকিয়ে দেখি মেয়েটির ডান পা টা পোড়া। নিচু হয়েই তাকিয়ে থাকলাম তার পোড়া পায়ের দিকে। মন চাইছিলো সেই পোড়া পা টা একটু স্পর্শ করতে। খুব আলতোভাবে। কিন্তু না। করা গেলো না। ডাস্টারটি যে আমার হাতে ধরা।

 

আস্তে আস্তে মাথা উঠালাম। মেয়েটের গলার কাছে এসে চোখ আটকে গেলো।প্রেমে পরে গেলাম চেহারা না দেখেই। কি দেখলাম গলার একটু উপরে সেটা নাহয় নাই বললাম। চেহারার দিকে তাকাতেই আরও একটি ধাক্কা লাগলো। ডাস্টারটি লেগেছিলো বুকের উপর। এবার লাগলো বুকের ভিতর।এত্তো মিস্টি চেহারার মেয়েও হয় দুনিয়ায়। সেদিন থেকেই সেই মিস্টি পরিটি হয়ে গেলো আমার সুইটি। আমি অপলক নয়নে তাকিয়ে আছি সেই মিস্টি পরির পানে নিশ্চুপে। সেই মিস্টি পরিটাও তাকিয়ে আছে আমার পানে। তবে পরি টা নিশ্চুপ ছিলো না।পরি টা আমার মুখে বুকে গুঁড়ো চকের ছড়াছড়ি দেখে হাসতে হাসতে শেষ। সেসময় পরি টা অনেকখন আমার দিকে তাকিয়ে হেসেছিলো। আমি হেসেছি অনেক তখন। দুজনের হাসি থেমেছিলো একজন গর্জন করা স্যার এর গর্জনে। পরে জেনেছিলাম সেই স্যার এর নাম ……. স্যার।
সেই স্কুলের প্রথম দিন, প্রথম দেখা, প্রথম একসাথে হাসা সেই মিস্টি পরি টি আমার প্রথম এবং শেষ প্রেম ভালোবাসা কলিজা গুরদা ফেফসা সব। সেদিনই সেই মিস্টি পরিটার নাম আমি আমার হৃদয়ে লিখেছিলাম সুইটি। নিজের নাম রেখেছিলাম শ্রাবণ। সুইটি আর শ্রাবণ। সুরু হলো লাইলি মজনুর পর এক নতুন প্রেমের উপাখ্যান।
সেই পোড়া পা টি আলতো করে স্পর্শ করতে আমার খুব মন চায়। মনে একটা কষ্ট সৃষ্টি হলো তোমার সেই ক্ষত টা দেখে।সেটা আজও আমি ভুলতে পারিনা মিষ্টি পরী। জীবনের শেষ দিন ও যদি কোন সুযোগ আশে আমার তোমাকে স্পর্শ করার তাহলে আমি সেই ক্ষত টাই পরম মমতার সহিত স্পর্শ করব।
হুম,… ৭ই অক্টোবর ২০২১, কোন সুযোগ ছিলোনা সেখানে স্পর্শ করার। অনেক সুযোগ খুজেছিলাম। পাইনি। সম্ববত তুমিও দাও নি সুযোগ। ফেরার পথে তোমার দেহের সাথে আমার দেহ স্পর্শ পেলো ইচ্ছাকৃত অথবা অবচেতন মনে। কেপে উঠলো দুজনের ই দেহ।দুজনের চোখাচোখি হয়ে গেলো। সাক্ষী হয়ে রইলো শুধুমাত্র দুজনের চারটি চোখ। মনের মধ্যে অপূর্ব এক শিহরন জেগে উঠলো। মিষ্টি একটা হাসি উপহার পেলাম আমার মিষ্টি পরীর কাছ থেকে। সাহসী হয়ে উঠলাম আরও। তোমার সবচেয়ে আকর্ষণীয়, যেটার দিকে আমি তন্ময় হয়ে তাকিয়ে থাকতাম সারাক্ষণ প্রতিক্ষণ, আমার বহুল আকাংখিত সেই স্থানে আলতো করে দিয়ে দিলাম এক মিষ্টি স্পর্শ। খুব করুন ভাবে তাকালে তুমি আমার পানে। কি যে মায়াবি লাগছিলো তোমায় তখন। মন চাচ্ছিল বুকে জরিয়ে পিশে ফেলি তোমায়। কিন্তু না। কিছুই করতে পারলাম না। বাঘ আর কুমির ছিলো সজাগ পাহারায়। উপরে বাঘ শুয়ে আছে তোমার প্রতীক্ষায় আর নীচে কুমির প্রতিক্ষায় ছিলো আমার। একটু হেরফের হলেই উপর থেকে বাঘ নেমে এবং নীচ থেকে কুমির উঠে আমাদের খতবিক্ষত করে দিতো।
জানো মিষ্টি পরী, তোমার সবচেয়ে সুন্দর সেই অংশটি আমার মনে হয় পৃথিবীর কেউ অবলোকন করেনি। হয়তো যার সাথে ২৮ বছর পার করে দিলে সেও তার রাখেনাই খোজ। হয়তো ফিরেও তাকায়নি সেদিকে। অথচ সেটাই আমি ভুলতে পারিনি আজও। ভুলবনা কখনো। ঘার, গলার উপরে, কানের লতির ঠিক পেছনে, চুলগুলি বেনি করার পর বা খোঁপা করার পর খুব ছোট ছোট কিছু চুল বা লালচে আভা যুক্ত কিছু লোম থাকে, তোমার কানের পিছনের সেই অংশটি এতো সুন্দর পৃথিবীর কোন সুন্দরজই আমার কাছে এর চেয়ে সুন্দর নয়।
 
মিস্টি পরী, আমি এমন এক হতভাগা যে মাত্র ১০ বছর চার মাস বয়স থেকে কস্টকে সাথী করে বয়ে চলেছি।কেউ জানেনি আমার সেই হৃদয়ের হাহাকারের কথা। ৩১ বছর পর তোমায় পেয়েও হারালাম। না পাওয়া এক জিনিস আর পেয়েও হারাবার জ্বালা যে কি সেটা তুমি বুঝবেনা মিস্টি পরী। তুমি বলেছিলে আমি যদি তোমায় সামান্য পরিমানও ভালোবেসে থাকি তাহলে আমি যেনো তোমায় আর এসএমএস না করি। করবোনা ভাই। কারন একটু ভালোবাসি না তোমায়, আমার ভালোবাসা হলো সাগরের মতো গভীরতা আর আকাশের মতো বিশালতা।
১০ বছরের সেই ছোট্ট বালকটি তোমায় পাবেনা কোনদিনও সেটা জেনেও শৈশব কৈশোর বয়সন্ধীকাল যৌবন কাল পার করে এখন এক মধ্য বয়সী পুরুষ। বনদু বান্ধব অনেক খোঁজাখুঁজি করেছে। যার সাথে আমি একটু হেসে কথা বলেছি তাকেই তারা ভেবেছে আমার লাবন্য। কিন্তু কেউ আমার মনের খবর পায়নি মিস্টি পরী। আর পাবেওনা কোনদিন। তুমিও ভুলে যেও আমায়। কাউকেই বুঝতে দিয়োনা তুমি। শুধু যেনে রেখো ১০ বছরের সেই বালকটি আমৃত্যু ভালোবেসে যাবে তোমায়। ভুলে যাও মিস্টি পরী ভুলে যাও এই হতভাগা কে।
একটা কথা খুব জানতে ইচ্ছে করে মিস্টি পরী। এতোগুলো বছর পর দেখেও কিভাবে চিনলে তুমি আমায়???
কতো সময় পর আমাদের দেখা হয়েছে কল্পনা করতে পারো তুমি???
৯,৬৭০ দিন ২১ ঘণ্টা ৪১ মিনিট পর আমি আমার মিষ্টি পরী কে দেখেছি।
এতোগুলো বছর পর দেখে তুমি যেই মিস্টি হাসিটি দিয়েছো আমি বাকি জীবনেও ভুলবোনা বন্ধু। প্রথমের সেই হাসি আর বিদায়ের সেই ছোঁয়া টুকু সম্বল করে আমি কাটিয়ে দিবো বাকিটা জীবন। হয়তো এ জীবনে আর আমদের দেখা হবেনা।
পর জনমে দেখা হবে প্রিয়া
ভুলিয়ো হেথা মোরে ভুলিয়ো।
এ জনমে যাহা বলা হইলো না
আমি বলিবো না, তুমিও বলিও না
জানাইলে প্রেম, করিয়ো ছলনা
ফিরে যদি আসি বেদনা দিয়ো।।
এতগুলো বছর পর দেখা হওয়া এই দিনে পৃথিবীর বুকে যতো মানুষ বেচে ছিলো তাদের মধ্যে সবচেয়ে সুখী মানুষ কে ছিলো বলতে পারো মিস্টি পরী!!
১৩,১৪০ সেকেন্ড পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মেয়েটির রুপের ঝলকানি দেখা তোমার সেই ছাগলটি। মাত্র চার আঙ্গুল দুরত্ব রেখে বসে ফিসফিস করে কথা বলা, প্রান ভরে মিস্টি পরীর গায়ের সুগন্ধ নেওয়া, অপলক ভাবে চোখে চোখে তাকিয়ে থাকা, সকলের চোখ ফাকি দিয়ে ডাইনিং রুমে ফিসফিস করা, ফেরার সময় আলতো একটু শিহরণ জাগানো ছোঁয়া, এগুলো কি ভোলা যাবে কখনো!!
আমাদের ভালো থাকার কথা ছিল। কিন্তু আমরা ভালো নেই, বেঁচে আছি শুধু। আমাদের দেহ জীবিত হলেও মন মরে গেছে বহুদিন হয়। মনের সাথে মরে গেছে অনেককিছু— রাগ, ঘৃণা, ক্ষোভ, ভালোবাসা, হাসি, আনন্দ, অভিমান, অনুরাগ, অভিযোগ।
চাওয়া পাওয়ার হিসেবে ধূলো জমেছে।।
আমাদের কাছে কোন কিছুর চাওয়া পাওয়া নেই। ঠিকানা হারানো পথিকের মতো আমরা হারিয়ে ফেলেছি আমাদের৷।
এভাবেই হয়তো কেটে যাবে বাকিটা জীবন। সুখি থাকার মুখোশের আড়ালে একবুক হাহাকার নিয়ে জীবন নদী পাড়ি দেওয়া যে কতটা যন্ত্রনার সেটা কি বুঝবে কেউ!!
হয়তো এ যন্ত্রনা বয়ে বেরাতে হবে আমৃত্যু। তুমি সাবধানে থেকো মিস্টি পরী। খুব বেশি ভালো থেকো তুমি। সেদিন একটুখানি ছোঁয়া পেয়েছিলাম তোমার। সেই অমুল্য ছোঁয়ায় অনুভুতিটুকু সম্বল করেই কাটিয়ে দিবো বাকিটা সময়।
হারিয়ে যাওয়া চোখের ঘুম ফিরে পাওয়া অনেক কষ্টের, আর সেই কষ্টের কারণে কেটে যায় অনেক নির্ঘুম রাত। রাত ৩ টা। ঘুম নেই চোখে আমার। আজ আকাশে তুমি নেই, আছে গুটি কয়েক তারা। তাকিয়ে আছি আকাশ পানে, কখন এসে দিবে ধরা। সকুনের দলেরা ভালো থাকতে দিচ্ছে না তোমায় জানি। খুব বেসি সাবধানে থেকো আমার মিস্টি পরী। আল্লাহ আমাদের সহায় হোন।
তোমায় গুড নাইট বা গুড মর্নিং বলতে পারছিনা তাই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি শুরুতেই। কারন ঘুমাতে যাওয়ার আগে রাত্রির শেষ বার্তা হিসেবে নাকি গুডনাইট বলতে হয়। সারাদিন অপেক্ষার পর যখন দেখলাম তুমি এলেনা, কস্টে বুকটা ভেঙ্গে গেলো, নিরবে অশ্রু ঝরাতে লাগলো শাসন বারন না মানা দুটি আখি। আমি আর আমা’তে নেই মিস্টি পরী। হেমায়েতপুর থেকে সদ্য ফেরা কোন এক আধ পাগলের মতো হয়ে যাচ্ছি আমি।
তুমি আসবে বলেছিলে মিস্টি পরী, অবশ্যই আসবে বলেছিলে। কেনো জানি আমার মনে হচ্ছিলো তুমি হয়তো আসবেনা। তাই মাত্র দুটো মিনিট সময় চেয়েছিলাম তোমার নিকট। এই দুটি মিনিটে কি ই বা টেস্কট করতে পারতাম আমি। তুমি বললে কাল আসবো। কেনো জানি মনে হচ্ছিলো তুমি আসবেনা। বললাম মনে হয় আসবেনা। তুমি বললে আরে পাগল টেনশন করো না তোমার বিলাই ঠিকি আসবে। বলেছিলাম শান্তনা দিচ্ছ না তো । বলেছিলে অবশ্যই আসবে।
তারপর থেকে হাতের সাথে মুঠোফোনের সুপার গ্লু লাগিয়ে রাখার মতো অবস্থা ছিলো। কি জানি, কোন অসাবধানতাবশত তুমি এসে যদি আমায় না পেয়ে যদি ফিরে যাও। নাহ… তুমি আসোনি।
জানো মিস্টি পরী, সারারাত এক সেকেন্ডের জন্যও আমি ঘুমাইনি। কারন ঐ একটাই, এসে যদি ফিরে যাও আমায় না পেয়ে। না, এলে না মিস্টি পরী। বিলাই কেনো এলে না তুমি। তুমি কি এই ভাঙ্গা হৃদয়ের হাহাকার শুনতে পাওনি?
সারারাত ঘুমালাম না তোমার আশায় তাই গুড নাইট বলে রাতের মতো বিদায়ও দিতে পারিনি তোমায়। অজানা আশংকায় মনটা কেমন করে উঠলো, কোনো বিপদ হয়নিতো তোমার। না… তেমন কিছুই সম্ববত না। এখন সকাল।একটু আগে তোমার করা কমেন্টগুলো দেখলাম। দেখে ভালো লাগলো মিস্টি পরী, তুমি ঠিক আছো। কিন্তু কস্টে হৃদয়টা দুমড়ে মুচরে গেলো। একটি বার কেমন আছো লিখতে কি খুব বেশি সময় লাগতো!
হয়তো তুমি পারছো না লিখতে।সেটাও আমার অজানা নয়। কারন এরই মধ্যে আমি জেনে গেছি তুমি আমায় কতোটা ভালোবাসো । সেদিন তোমার চোখে তাকিয়েই বুঝেছি তোমার হৃদয়ের আকুলতা। কোন সমস্যা হয়নি তো তোমার! খুব বেশি সাবধানে থেকো আমার বিলাই।
মিস্টি পরী ঘুম থেকে উঠে নাকি শুভ সকাল বলতে হয়। যার ঘুমই আসেনি তার আবার ঘুম ভাঙ্গবে কেমন করে। তাই তোমায় শুভ রাত্রি বা শুভ সকাল কোনটাই বলা হলোনা।
একটিবারের জন্য কি আসা যায় না।
একটি মুহুর্তের জন্য!
একটু ক্ষনের জন্য।
ভালো থেকো মিস্টি পরী।
খুব বেশী ভালো থেকো।
ভেঙ্গে পরোনা মিস্টি পরী। যে ভালোবাসায় কোন চাওয়া পাওয়া নেই, নেই কোন পাপের উপস্থিতি, সে ভালোবাসায় শত বাধা আসলেও তা ঠেকিয়ে রাখা যায় না। আসলে সুখ দুঃখ নিয়েই মানুষের জীবন। সুখ এবং দুঃখ একটি মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ। আর সেই মুদ্রাটি হচ্ছে জীবন। সুখ দুঃখ দুটোই জীবনকে পরিপূর্ণ করে তোলে। একটির অনুপস্থিতি জীবনকে অপরিপূর্ণ করে রাখে। সুুখ মানুষকে ভাল রাখে, আর দুঃখ মানুষ কে ভালো থাকতে শেখায়, বাস্তবতা কে বুঝায়।
জীবন শুধু হাসি দিয়ে পার করলে হয় না, কাঁদার ও প্রয়োজন আছে। মনটা যখন কষ্টে ভরে ওঠে , কান্না তখন মনটা কে হালকা করে৷ আবার অনেক সময় অনেক খুশি তে ও মানুষ কাঁদে। সুখটা কে বার বার ফিরে পাবার জন্য দুঃখ প্রয়োজন, কারন দুঃখের পরেই সুখ আছে। দুঃখ করোনা মিস্টি পরী। রাত যখন হয়েছে প্রভাত ও হবে নিশ্চয়ই। নিজেকে খুব অপদার্থ মনে হচ্ছে । কেন আমি এমন করলাম। ক’বছরই বা বাচবো আর! বাকী সময়টুকু না হয় ওভাবেই কাটিয়ে দিতাম। আমায় অভিশাপ দাও মিস্টি পরী, কঠিন অভিশাপ দাও যেনো আমি জ্বলেপুরে ছারখার হয়ে যাই। এখন বুঝি মানুষ কেনো পাগল হয়ে যায় বা আত্মহত্যা করে। আমি কি ক্রমশঃ সেদিকেই এগিয়ে যাচ্ছি!
আমার অক্সিজেন যে ফুরিয়ে আসছে ক্রমশ। রিফিল করবেনা মিস্টি পরী? একটু খবর টাও নিলে না বিলাই ! কেনো জানি খুব কান্না পাচ্ছে! শূন্যতা, পূর্ণতা, নির্ভরতা নাকি নিঃসঙ্গতার জন্য, জানি না। শুধু বুঝতে পারছি বুকের ভিতরে কোথায় জেনো লুকানো জায়গা থেকে একদল অভিমান প্রচণ্ড কান্না হয়ে দু’চোখ ফেটে বেরুতে চাইছে। তুমি কাছে নেই বলে শূন্যতা তার ইচ্ছে মত দেখাচ্ছে তার নিষ্ঠুর খেলা। আমিতো তোমার বুকে মুখ লুকালেই বাঁচি এখন! কিন্তু তুমি যে কত দূরে! বলতো!
তোমাকে ভালবাসি প্রচণ্ড-এরচেয়ে কোনো কঠিন সত্য আপাতত আর জানিনা!!
জানো মিষ্টি পরী? আজ মধ্যরাতে তোমাকে আমি আবারো স্বপ্নে দেখেছি। জানিনা কেনো আমি তোমাকে বার বার স্বপ্নে দেখছি? হয়তোবা তোমার কথা সারাদিন ভাবি বলে। জানিনা তুমি ঘুমের মাঝে কখন চলে আসো? তবে জানো মাঝে মাঝে বুকের মাঝে একটা স্পর্শ অনুভব করি ঠিক যেন সেই হাতের ছোঁয়া। এখন আমি জানিনা সত্যি কি আমি তোমার স্পর্শ আনুভব করেছি নাকি শুধু স্বপ্নেই দেখেছি? হয়তোবা এই স্পর্শটাই আমার কাছে তোমার ভালোবাসা। সবাই ভালোবাসতে পারেনা, আমিও পারিনা। ভালোবাসতে পারলে হয়তো আমাকে ছেড়ে চলে যেতে পারতেনা তবে আমি শুধু জানি আমি তোমাকে ভালোবাসি।
জানো মিষ্টি পরী! এটা ভাবতে খুব খারাপ লাগে যে আমার মিষ্টি পরী আমার পাশে নেই। তবে আজ তোমার হাতে হাতটা রেখে বলতে ইচ্ছে করছে,আমি আমার মিষ্টি পরীকে আজও ভালোবাসি, সত্যিই ভালোবাসি, অনেক বেশি ভালোবাসি মিষ্টি পরী…………
মিস্টি পরী, তোমাকে ছাড়া বাঁচবো না এটা সমস্যা না, তোমাকে ছাড়া বাঁচতে হচ্ছে এটাই সমস্যা। আমি সুখী নই, অসুখী ও নই। আমি কিছুই অনুভব করতে পারছি না, এটাই সমস্যা । আমার মনে হয় আমি ভেতরেই মৃত। একটা মানুষ এর মৃত্যু তখনই হয়ে যায় যখন তার প্রিয় মানুষটার সাথে দূরত্ব বেরে যায়। একটা মানুষকে ভুলতে নিজের সাথে কতনা অভিনয় করতে হয়। পৃথিবীর এই বিশাল মঞ্চে খুব সত্যিকারের মিথ্যে অভিনয় করতে শিখেছি! এক জীবনে আমার আর কিছু না শিখলেও চলবে। মিস্টি পরী, যেটুকু পেয়েছি আমি তোমায়, অন্তত সেটুকুও ফিরিয়ে নিও না। সঙ্গে নাই তাতে কি! কাছে তো আছো। মনের কাছাকাছি, হৃদয়য়ের কাছাকাছি, সেটুকুই অন্তত থেকো।
জীবনে সুখি হওয়ার জন্য গোটা পৃথিবীর দরকার হয়না। শুধু দরকার হয় একজন মনের মতো মানুষ। হোক সে ভালোবাসার মানুষ অথবা একজন ভালো বন্ধু!! আমার মিস্টি পরী আমার ভালোবাসা ও ভালো বন্ধু, আমার মিস্টি পরী আমার প্রেম প্রীতি কলিজা গুরদা ফেপসা সব। সকালে ঘুম থেকে উঠেই যে নির্মল চেহারা টি মানসপটে ভেসে উঠে সেটি আমার মিস্টি পরীর নির্মল মুখ। দুপুরের ও বিকেলের কর্ম ব্যস্ততায় চকিতে যার কথা মনের মধ্যে ঝড় তুলে সে আমার মিস্টি পরীর। গুমোট সন্ধ্যায় যার কথা মন থেকে তাড়ানো যায়না সে আমার মিস্টি পরীর কথা। নির্ঘুম রাত্রিতে যার জন্য ভেবে দু’ফোটা জল ঝড়ে সে আমার মিস্টি পরী। কান্নার জল সবাই দেখে, হৃদয়ের কষ্ট কেও দেখেনা, পাওয়ার আনন্দ কিছু দিন থাকে. কিন্তূ না পাওয়ার বেদনা সারা জীবনে ও ভুলা যায়না !
প্রতিরাতই নির্ঘুম রাত, আসেনা কিছুতেই প্রভাতএভাবে জীবন কেটে যায়, শুধু অস্থিরতায়।আমার জীবনের প্রভাত কি আর আসবে মিষ্টি পরী? আমরা কি খুব বেশী কিছু চেয়েচিলাম? একটুখানি আকুলতা, একটুখানি ব্যাকুলতা, একটুখানি কথা, শুধু এটুকুই তো চেয়েচিলাম আমরা। বেশী কিছু তো চাইনি আমরা। তবুও সকুনের দল আমাদের সুখে থাকতে দিল না।
বাহুডোরে জড়ায়ে তোমায়
অতদ্র প্রহরীর মতো দিচ্ছি পাহারা
বুকের মাঝে ঘুমাও সোনা
জানবেনা তো সকুনের দলেরা।
আল্লাহ তুমি আমার মিস্টি পরীর কিছু হতে দিয়ো না। আমার মিস্টি পরীর হেফাজত করো আল্লাহ।

 

 
তোমায় পিস্তলের মুখে দাড় করিয়ে রেখেছি, একটু এদিক সেদিক হলেই জীবন শেষ। আমার বেচে থাকার কোনো অধিকার নেই। আমি আর পারছি না পরী। ভালোবাসাটা কোনো অপরাধ নয়। আমি বেচে থেকেও জিন্দা লাশ হলাম। একটা কজ করা যায় ময়না।
জীবনে হয়তো তুমি অনেক কিছু পাবে,
আবার অনেক কিছু হারাবে, কিন্তু কিছু পাওয়ার জন্য তোমার জীবনের এমন কাউকে হারিওনা
যে তোমাকে অনেক বেশী ভালোবাসে…….!
●●► নেপোলিয়ান ।
সম্পর্কের শুরুতে অনেকেই আমারা
ভালবাসা নিয়ে খেলা করি।
কিন্তু
যখন আমরা সিরিয়াস হই তখন
ভালবাসা আমাদের নিয়ে খেলা শুরু করে… !
কখনো কখনো রাগ, দুঃখ, অভিমান
গুলো চেপে রাখতে রাখতে
একটা জীবিত মানুষ ও
জীবন্ত লাশ হয়ে যায়………!!!
মনটা আমার ভীষণ খারাপ
চার দেয়ালে বন্দী,
ইচ্ছে নেই আর করতে নতুন
ভালো থাকার সন্ধি।
আমার আমি যেমন আছি
তেমনি আছি ভালো,
তোমাদের রঙ অনেক রঙিন
আমার প্রিয় কালো।
যারা অল্পতেই হয় খুশি
তারাই কষ্ট পায় বেশি।
কারো জীবন-ই সহজ হয় না,
সবার জীবনেই একটা না একটা লড়াইের গল্প থাকে।
তুমি ছাড়া আমার ভীষণ একলা লাগে
পৃথিবীটা শূন্য মনে হয়,
তুমি ছাড়া বিরহের অসুখ আমার
তুমিহীন সব জয়ই পরাজয়।
তোমাকে ঠিক ততোখানি ভালোবাসি….
যতখানি ভালবাসলে এই জন্মে দ্বিতীয় কাউকে আর ভালোবাসার সাধ জাগবে না !!!
তোমাকে ঠিক ততোটাই গভীরে জড়িয়ে রেখেছি…..
যতখানি গভীরে রাখলে তুমি কখনো অন্য কারো হতে পারবেনা !!!
তোমার দেহ টা বাদে পুরোটাই আমার মিস্টি পরী!!!
তুমি এলেনা ওগো সখি
আমিই আসছি তোমার নীড়ে,
রুদ্ব দ্বারে কারিবো করাঘাত
দেখি কি করে দাও ফিরিয়ে।
থাকবো দাড়িয়ে আর কতো সখি
যাবো কি চলে নিয়ে রিক্ত মন
না না সখি, চুমিলাম আমি তোমার সদর দ্বার
যেখানে তোমার স্পর্শ জমা হচ্ছে সারাক্ষণ।
চোখের জলে ধুয়ে দিয়ে গেলাম
সখি তোমার সদর দ্বার,
যাচ্ছি সখি রিক্ত মনে
বাচিবার আশা নেই আর।
০১.১১.২১
৬.০১-১০.১০-১০.৫০
যে হারায় সেই বোঝে
বাকিরা তো সুধু মজা খোজে।
হারানোর বেদনা বরাবরই
বড্ড যন্ত্রণা দেয়।
কিন্তু এই যন্ত্রণা একমাত্র
যে হারায় সে ছাড়া
আর কেউ বুঝবে না।
তোমাকে হয়নি বলা
কতটা ভালোবাসি…
তোমাকে হয়নি বলা
এক পলক দেখার জন্য কতটা উতলা আমি…
তোমাকে হয়নি বলা
চোখ বন্ধ করেও তোমাকে দেখতে পাই…
তোমাকে হয়নি বলা
যতটা কষ্ট তোমাকে দেই
তার চেয়ে অনেক বেশি কষ্ট নিজেই পাই…।।
আর কতো পালিয়ে থাকবে ওগো মিস্টি পরী
শুনতে কি পাও না তুমি এই হৃদয়ের আহাজারী।
সম্মান বাঁচাতে
প্রয়োজনে খুব কঠিন পরিস্থিতিতেও
চুপ করে থাকতে হয়।
আমার চলে যাবার দিন
কখনো তার চোখে না পড়ুক!
আমার মৃত্যুর সংবাদ
কখনো সে কানে না শুনুক!
কি হলো তোমার পরী
আমার বুকের ধুকপুকুনি টা বেড়ে যাচ্ছে ।
তুমি ঠিক আছো তো মিস্টিপরী।
একাকিত্ব আর বিষন্নতায় ছেঁয়ে আছে আমার সমগ্র পৃথিবী।
জানিনা আর কোনদিন ভালো থাকা হবে কিনা!!
বহুদূর পথ
ভীষণ আঁকাবাঁকা
পথ চলতে ভীষণ ভয়
তুমি এসে বলে দাও পরী,
আছি আমি পাশে
করোনা কিছুতেই ভয়।
আমি যাকে ভালোবাসি সে একান্তই আমার
তাকে পাই কিংবা না পাই পরী একান্তই আমার
কল্পনায় কিংবা বাস্তবে পরী শুধুই আমার।
যতোই থাকুক হৃদয়ে জ্বালা
তোমায় কি কখনো যাবে ভোলা।
আমরা দুজনে ভাসিয়া এসেছি
যুগলপ্রেমের স্রোতে
অনাদি কালের হৃদয়-উৎস হতে।
আমরা দুজনে করিয়াছি খেলা
কোটি প্রেমিকের মাঝে
বিরহবিধুর নয়নসলিলে,
মিলনমধুর লাজে–
পুরাতন প্রেম নিত্যনূতন সাজে।
অনেক পথের পথিক আমি ক্লান্তি সর্বশেষ
তোমার পথের ঠিকানা খুজে আমি আজ অবশেষ।
তুমি আমার প্রথম ও শেষ জীবনের ভালোবাসা
তোমার মাঝেই তাইতো আমার জীবনের শত আশা।
অতটা দূরে নয় আকাশ
যতটা দূরত্বে পরী
তোমার বসবাস।
একাকীত্বে ভোগা মানুষগুলোর সাধারণত কথা বলার মত কেউ থাকে না ,
এরা কথা বলে শুধুমাত্র চোখের জলের সাথে।
তুমি আমি
আমি তুমি
ছিলাম আগেও !
আছি এখনও !!
থাকবো তখনও !!!
মরবো যখনও !!!!
মাঝামাঝিতে থাকা সম্পর্কগুলো খড়কুটোর মতো হয়।
কখনো কিছু আঁকড়ে ধরে, আবার স্রোতে ভেসে যায়
মিস্টি পরী
তুমি চাদের মতোই সুন্দর
আর আকাশের মতোই দুরে।
কি যে নির্ভার লাগছে আজ। সেরা সত্যি টা জেনে গেলাম।
মনে চাচ্ছে প্রজাপতির মতো ডানা মেলে সেই কুরুক্ষেত্রে চলে আসি। 26-10-2021 01.27am
ছেলেটি বলেছিলো, “আমি ব্যর্থ”
মেয়েটি দৃঢ় কন্ঠে বলেছিলো “তুমি ব্যর্থ না”
দৃঢ় কন্ঠের ছোট্ট এই “তুমি ব্যর্থ না” বাক্যটি কোনো ছেলে যদি শুনতে পায় তবে তার মতো ভাগ্যবান আর কে হতে পারে।
পথ হারা পথিক হয়ে আমি আজ হন্যে হয়ে খুঁজছি নিজের আপন ঠিকানা। কিন্তু আমার সব রাস্তা অন্ধকারে ধোঁয়াশা হয়ে গেছে। চিরচেনা সেই শহরটাতে আজ আমি নিজেই নিজেকে খুঁজে পাই না….!
আমার সে আপন ঠিকানা খুঁজতে খুঁজতে আজ আমি বড্ড ক্লান্ত। ডানা ভাঙ্গা পাখির মতো অসহায় হয়ে তাকিয়ে আছি। আমার এই অসহায়ত্ব ক্রমশই নিজেকে অচল করে দিচ্ছে…!
তুমি চাইছিলা আমি চুপ হয়ে যাই কিন্তু ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস আমি একেবারেই বোবা হয়ে গেলাম। যে সম্পর্কটা তুমি মজবুত করতে চাইলা ভাগ্য সেটাকে ঘুন পোকা দিয়ে আক্রমণ করিয়ে দিল….!
দিন শেষে সবাই নিজ নিজ গন্তব্যে ফিরে যায় কিন্তু আমি আজ পথেই রয়ে গেলাম….
ভালোবাসার কাছে আমি হেরে গেলাম মিষ্টি পরী।
হারানোর ভয় ছিলো
অবশেষে হারালাম।
না না! তোমায় দোষ দিচ্ছি না মিস্টি পরী!
দোষ সব আমার। আমার কপালের।
সেই বাল্যকাল থেকে কস্টকে বুকে চেপে রাখতে রাখতে হৃদয়টা মরুভূমিতে পরিনত হয়েছিল। সেই মরুভুমিতে কিছু সময় বৃস্টি ঝড়িয়ে আবার চলে গেলে।
মিস্টি পরী তুমি কখনো প্রথম বৃস্টি দেখেছো?
কি বললে! বুঝোনি!
শোনো তাহলে বুঝিয়ে বলছি।
প্রচন্ড খরতাপে মাটি যখন ফেটে ফেটে থাকে তখন হঠাৎ করে এক পশলা বৃস্টি এসে যখন পরিপূর্ণ বৃস্টি না হয়েই থেমে যায় তখন তখন মাটি পোড়ার গন্ধ কি পেয়েছো কখনো?
শুনেছো কি কখনো সেই পোড়ামাটির আর্তনাদ আর হাহাকার।
আমার সেই মরুভূমি হওয়া হৃদয়টাতেও এক পশলা বৃস্টি হয়ে থেমে গেলো আজ।
আচ্ছা মিস্টি পরী!
তুমি কি সেই মাটির গন্ধের মতো আমার পোড়া হৃদয়ের গন্ধ পাচ্ছ?
শুনতে কি পাচ্ছ আমার পোড়া হৃদয়ের আর্তনাদ আর হাহাকার।
মিস্টি পরী তোমার শ্রাবণ আজ থেকে জিন্দা লাশ হয়ে গেলো।
জিন্দা লাশ!
জিন্দা লাশ!!
জিন্দা লাশ!!! 25/10/2021
না বলা কিছু কথা ব্যাথা জাগিয়ে রয়
ফিরে পেয়েও আবারো জাগে হারিয়ে ফেলার ভয়।
মিস্টি পরী
কেমন আছো তুমি। শরীর টা এখন ভালো শুনে পুলকিত বোধ করলুম। ঔষধ খেয়েছো নিশ্চয়ই।
না খাবার কি আছে রে পাগলী। যাও খেয়ে এসে চুপটি করে শুয়ে পরো।
কি বললে, ঘুম আসছে না? রাত কটা হয়েছে দেখেছো? প্রায় দুটো! লক্ষ্মী সোনা আমার, যাও ঘুমাতে যাও।
আরে আমার পাগলী টা বলে কি! গল্প করবে! এতো রাতে আমার সাথে গল্প করতে দেখলে তোমার বর তোমায় পিটাবে।
তার চেয়ে বরং এক কাজ করো, তুমি আমার কাছে চলে এসো।
কি বললে কিভাবে আসবে এতো রাতে!
আচ্ছা তুমি একটা কাজ করো, একদা সোহরাব ও রুস্তম পিতা পুত্রের যুদ্ধ চলেছিলো। সে কি তুমুল যুদ্ধ। তুমি তো শুনেছিলে সেই যুদ্ধের কাহিনী। কি বললে!
মনে পড়ছে না? আমিই তো বলেছিলাম তোমায়। আর যুদ্ধে অর্জিত মনি মুক্তো গুলো তো তোমার কাছেই রক্ষিত রয়েছে।
কি বললে তুমি, …… হ্যাঁ হ্যাঁ এইতো মনে পরেছে তোমার।
শোনো ময়না, যেখানে সোহরাব রুস্তম এর কঠিন যুদ্ধ চলেছিল কিছু অমুল্য সম্পদের দখল নিয়ে। মহাবীর রুস্তম বার বার সোহরাব এর নিকট পরাজিত হতে চলছিলো। তারপর রুস্তম বীর বিক্রমে এগিয়ে গিয়ে সোহরাব কে পরাজিত করে অমুল্য সম্পদগুলি নিজের হস্তগত করেন। রুস্তম কতোখন সম্পদগুলো নিজের দুই হস্ত রাখিয়া অপলক নয়নে তাকিয়ে থাকলেন। এই অমুল্য সম্পদগুলি মহাবীর রুস্তম এর হস্তগত দুরে থাকুক কল্পনায় দেখার কোনো সুযোগ ছিলো না।একদা সেই কঠিন যুদ্ধে সোহরাব কে পরাজিত করিয়া কতো সুন্দর কারুকাজ সম্বলিত হিরে জহরত আজ রুস্তম এর হাতের মুঠোয়।
মহাবীর রুস্তম অতি আদরের সহিত সুন্দর কারুকাজ সম্বলিত হিরে জহরত গুলো যথাস্থানে রাখিয়া যাতায়াত পথের লৌহ কপাট খানি খুব শক্ত করিয়া আটিয়া দেন যাহাতে সোহরাব আর সেই স্থানে পদার্পণ করিতে না পারেন।
এবার মনে পরেছে তো মিস্টি পরী সেই যুদ্ধের কুরুক্ষেত্র টি?
চলে এসো সেখানে আর খুব আস্তে করে সেই লৌহ কপাট টি খুলিয়া ঠিক যুদ্ধের স্থানে এসে দাড়াও। পুর্ব আকাশে তাকিয়ে দেখো ঠিক তোমার মতোই একটা চাদ উঠেছে।
আমিও এখন লিখছি আর সেই চাদের পানে তাকিয়ে আছি।
আমার আকাশে এখন দুটি চাদ। একটি আকাশে আর অপরটি আমার দুবাহুর মধ্যিখানে জড়িয়ে ধরা তোমার চাদমুখ খানি।
দুবাহু বাড়ায়ে আছি প্রিয়া
তুমি এসো মোর পানে,
দেহ দুখানি আলাদা থাকিলেও
মোদের মন মিলিবে প্রানে্।
সুখ হচ্ছে মনের ব্যাপার,
মন কে বোঝাতে পারলেই
সব পরিস্থিতিতে সুখে থাকা যায়।
কিন্তু মনকে বুঝানোর মতো ক্ষমতা যে আমার নেই।
সবার কপালে সুখ লিখা নেই মিষ্টি পরী।
খড়কুটোর মতো ভাসতে ভাসতে এসেছিলাম,
ভেসে ভেসেই চলে গেলাম আবার।
নিয়ে গেলাম কিছু স্মৃতি।।
জীবন বড়ই অদ্ভুত!
যে পায় সে সব কিছু পায়
আর যে পায় না
তার জীবন খাতা সারা জীবন
শুন্যই রয়ে যায়।
মনে পরে সেদিনের কথা?
সেদিন অঝর ধারায় বৃষ্টি হচ্ছিল..
তুমি আর আমি পাশাপাশি হাটছিলাম..
একটা মাত্র ছাতা..
কিছুতেই বৃষ্টি মানছিলোনা .
তুমি বৃষ্টির হাত থেকে আমাকে বাচাতে আপ্রাণ চেষ্টা করছিলে..
তুমি জানতে বৃষ্টিতে ভিজলে আমার জ্বর উঠে..
টনসিল ফুলে যায়.
বৃষ্টির ছাট থেকে আমার মাথা বাচাতে তোমার কতইনা ছুটাছুটি..
তবুও সেদিন শেষ রক্ষা হয়নি-
দুজনেই ভিজে চুপসে গেলাম..
বরফ শীতল ঠান্ডা পানিতে ভিজে তুমি ঠক ঠক কর ে কাপ্ছিলে..
তোমার কাপনি উপেক্ষা করে আমি মনে মনে স্বার্থপরের মত পার্থনা করছিলাম বৃষ্টি যেন কখনো না থামে..।
এই পথ যেন কখনই শেষ না হয়..।
বৃষ্টির কারণেই তো তোমার এত কাছাকাছি থাকতে পারছি।
তোমার চুলের মিষ্টি গন্ধ পাচ্ছি..।
আমার তখন খুব ইচ্ছা করছিল তোমার চুল স্পর্শ করি..
তোমার হাতে হাত রাখি..
গভীর আবেগে হাত বুলিয়ে দেই তোমার গালে, ঠোটে…।
তুমি হাত স্পর্শ করতে দাওনি..
আমার হাত থেকে তোমার হাত ছাড়িয়ে নিয়ে বলেছিলে “ভালবাসা স্পর্শ করতে নেই। স্পর্শতে ভালবাসা গুটিয়ে যায়, লজ্জাবতীর মত”!!
আমার সেদিন খুব অভিমান হয়েছিল তোমার উপর।
ভেবেছিলাম তুমি আমাকে এড়িয়ে যাচ্ছ…
আজ আমার তেতাল্লিশ..!!
প্রায় জীবনের শেষ প্রান্তে চলে এসেছি..।
এখনো ক্ষণে ক্ষণে তোমার কথা মনে হয়..।
এখনো তোমাকে কাছে পেতে ইচ্ছা করে..
বৃষ্টি এলে একা একা ভিজি..।
স্বপ্ন দেখি…
কোনো এক বৃষ্টি ভেজা সন্ধায় তোমার সাথে দেখা হবে..।
আবার আমার মাথায় ছাতা ধরবে গভির ভালবাসায়..।
রাতগুলো ভীষণ ভাবায়,নীরবতা কাঁদায়।
দিনের আলোয় হাসির আড়ালে নীরবতা সবার দৃষ্টিগোচর হয় না,হবেও না।
রাতের অন্ধকারের কান্নার কোন স্বাক্ষী থাকেনা ,তার খোঁজও কেউ রাখেনা।
জীবনের হিসেবে হারিয়ে যায় আনন্দ, হারিয়ে যায় অনেক কিছু।
এক সময় কেবল মৃত্যুর প্রতীক্ষা।মৃত্যুর সমাধান তো সমাধান তো নয় কিন্তু দুনিয়ার এই যন্ত্রণা থেকে মুক্তি তো অবশ্যই।
সময় কে নিজের পক্ষে আনা সহজ নয়,সবাই পারেনা ।সবাই পারলে এতো মানসিক আর্তনাদ ,হতাশা,আত্মহত্যা থাকতো না।অন্যের জীবন পর্যাবেক্ষন করা সহজ।অন্যের সমস্যার সমাধানন দেওয়াও সহজ,বলে দেওয়া সহজ।এটা করলে ঠিক হবে,এক সময় ঠিক হবে,সমস্যার সমাধান আছে।
কিন্তু যার সমস্যা,যে সমস্যার মধ্যে বড় হয়,সবকিছু যখন বিপক্ষে,যখন সাহায্যের কেউ থাকেনা তখন বুঝা যায় জীবন কতটা যন্ত্রণার। মৃত্যুর হাহাকার কত কঠিন ।সবার জন্য সব সহজ নয়। সময় বিপেক্ষেও থাকে।
আচ্ছা আমি কি পাগল হয়ে যাচ্ছি ক্রমশঃ
মাথাটা কেমন যেনো ফাকা ফাকা লাগে মিস্টি পরী।
এখনো পাথর হতে পারিনি
আবার বৃস্টির আঘাতে ভেঙ্গে গেছি
প্লাবিত করেছি আমার মন।
জানি বাঁচার কোনো রাস্তা নেই
শুধু ডুবে যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছি।
কিছু মানুষের একটাই চাওয়া আত্মহত্যা ছাড়া খুব তাড়াতাড়ি মরে যাওয়া,,তবে সেই মানুষ গুলো ভিতর থেকে অনেক আগে মরে গেছে এখন শুধু শরীরে আনুষ্ঠানিক মৃত্যু ঘটা বাকি,,তবে এটাকে ঠিক মৃত্যু বলা যায় না এটা এক প্রকার মুক্তি,,।
প্রখর সূর্য যেমন মাথার উপর আসলে কষ্ট হয় ব্যর্থতা যেন এদের ঠিক তেমন কষ্ট দেয়,,
ভীষণ চঞ্চল মানুষটাও নিরব হয়ে যায়,, অনেক কথা বলা মানুষটাও চুপ করে যায় কখন জানে যখন মানুষটার ভিতরের আঘাতটা গভীর হয়,, মৃত্যু কামনা কর ভালো নয় তবুও কিছু মানুষ নিরবে নিজের মৃত্যু কামনা করে যায়,,।
আত্মহত্যা মহাপাপ বলে বেঁচে আছে হাজারো জীবন্ত লাশ,, কতটা অসহায় হলে মানুষ নিজের মৃত্যু কামনা করেন তা শুধু সেই মানুষ গুলো জানে যারা বেঁচে থেকেও মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে,,।
শুধুই যন্ত্রনা দেওয়ার জন্য হলেও তুমি এসো।
একা ফেলে আবারও চলে যাবার জন্য হলেও তুমি এসো।
মন টা কে রাঙ্গিয়ে দিয়ে সেই রাঙ্গানো মনটাকে পিষে ফেলার জন্য হলেও তুমি এসো।
তুমি এসো বন্ধু।
আর পারছিনা যে !!!
যাকে তোমার ভাবনায় ভালো লাগে
তাকে কখনো বাস্তবে কাছে পেতে যেওনা।
কস্ট পেতে থাকবে অহর্নিশ …….
দূরত্ব কখনো কোন সম্পর্ক ভাঙ্গেনি কিন্তু বহু সম্পর্ক নিরবতার কারণে ভেঙে গেছে,
একজন নিরব থাকলে আর একজন হাজার চাইলেও
কথা বলতে কিংবা
সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে পারে না,,,।
চোখে চোখে চুপি চুপি বলা কিছু কথা
ফেরার কালের আলতো ছোঁয়ায় ব্যাকুলতা……….
জীবনে না পাওয়ার হিসেব করলে কেবল আক্ষেপই বাড়ে, এই আক্ষেপ মৃত্যু কামনাতে পৌঁছায়।
পাওয়ার হিসেব করলে তো অনেক কিছুই পাওয়া যায় কিন্তু না পাওয়া গুলো জীবনের স্বাভাবিক গতিরোধ করে দেয়।
ব্যর্থতা গ্লানি নিয়ে চিন্তাভাবনা সহজ নয়, সবকিছুতেই শুধু আর্তনাদ ,হাহাকার ।স্থবির হয়ে যায় সবকিছু। সবকিছু থেকেও কি জেনো নেই কি জেনো নেই মনে হয়। চাওয়া পাওয়ার হিসেবের খাতা শূন্যই থেকে যায় আজীবন। তারপর মানুষ ভালবাসে।
মিষ্টি পরী, আমিও তোমায় ভালবাসি, বড়ো বেশী, খুব বেশী। আমি কোন দিন কোন কিছু পাওয়ার হিসেব করিনি তোমার কাছে মিষ্টি পরী। সেই বাল্যকাল থেকে ভালবেসে আজ কতো বছর পার করে দিলাম তোমায় ছাড়া। ভালবাসায় কোন কমতি নেই মিষ্টি পরী। সেই আগের মতই রয়ে গেল ভালোবাসাটা।
ভালই কাটসিলো আমার তোমার সাথে কল্পনায় কথা বলতে বলতে, কল্পনায় সংসার সাজাতে সাজাতে, কল্পনায় মান অভিমান করতে করতে । কল্পনায় কথা বলতে বলতে ফিক করে হেসে দিতাম আমি। মাজে মাজে কান্না গুলো ঠেলে বেরিয়ে আসতে চাইতো।
সেই ……….. থেকে আজ অব্দি এমন কোন দিন ছিল না যেদিন তুমায় ভেবে হটাত একা একাই হেসে উঠিনি বা কান্না গুলো ঠেলে বেরিয়ে আসতে চায়নি। ভালো থেকো মিস্টি পরী, খুব বেশি ভালো থেকো।…
যে মন খারাপেও হাসতে জানে,
তার সঙ্গী হয়ে দেখো
জীবনটা কত সুন্দর।
ভালবাসার মধ্যে কি আছে,
_____ সুখ নাকি দুঃখ !
যদি সুখ থাকে
_____ তাহলে,
মানুষ ভালবেসে কাঁদে কেন !
আর যদি দুঃখ থাকে
______তাহলে,
মানুষ ভালবাসে কেন?????
বলতে পারো মিস্টি পরী!!!
সত্যিকারের ভালোবাসায় এতো কস্ট কেনো??? 22-10-2021
মানুষ কখনোই বদলায় না শুধু বদলে যায় তাদের অভ্যাস গুলো। প্রতিদিন যে রুটিন করে চলে তা হয়তো কোন না কোন কারণে তাকে বদলাতে বাধ্য হয়।।
যাকে একবার মন থেকে ভালোবাসা যায় তাকে ভুলে থাকা এতো সহজ ব্যাপার না। জীবনের শেষ দিন অব্দিও ভুলে থাকা সম্ভব হয় না।।
কোন কোন পরিস্থিতিতে তাকে তার অভ্যাস গুলো বদলাতে বাধ্য করে। কিন্তু মনের জায়গাটা কখনোই বদলানো সম্ভব নয়।।
মানুষ কতো কিছুই না করে পুরোনো সব স্মৃতি ভুলার জন্য। কিন্তু কি জানেন সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয় সাময়িক ভুলে থাকলেও চিরতরে ভুলাটা কারোর পক্ষে সম্ভব নয়।।
মিস্টি পরী, আমি যেখানেই যাই যেদিকেই চাই আমি শুধু তোমাকেই দেখতে পাই। তুমি মিশে আছো আমার অস্তিত্বে।
জীবনে সত্যিকারের ভালোবাসার মতো অপরাধ আর দ্বিতীয়টি নেই।
যারা ভালোবাসার নামে টাইম পাস করে তারা ভালো থাকে।
যারা সত্যিকারের ভালোবাসে তারা ফেঁসে যায়।
জীবন ভর তাদের আক্ষেপ নিয়ে বাঁচতে হয়।
জীবনটাই একটা রঙ্গমঞ্চ….
এখানে পাক্কা অভিনেতা ও অভিনেত্রীর অভাব নেই।
কেউ হাজারো কষ্ট নিয়ে ভালো থাকার অভিনয় করে বেড়ায়।
আবার কেউ ভালো না বেসে ও ভালোবাসার অভিনয় করে যায়।
সব কিছুই সময়ের সাথে পুরনো হয়,
কিন্তু সত্যিকারের ভালোবাসা
সেটা কখনো পুরানো হয়না,
যতই দিন যায় ততই সেটা নতুন হয়….
তাকে ভালোবাসার কারন আমি জানি না।
শুধু জানি তার প্রতি আমার অজানা একটা টান
কোথাও না কোথাও রয়েই যায়।
কিছু কথা অপ্রকাশিত ই থাকুক
নাই বা জানলে আর।
সব কথা প্রকাশিত হলে
নিজেকে বড় ই অপরাধী মনে হয়।
এভাবে চুপচাপ বাঁচতে বাঁচতে
কবে যে চুপচাপ সব ছেড়ে চলে যাবো
কেউ টের ই পাবেনা।
ভেবেছিলাম ঘুমাবো অনেক নিশি অনেক প্রহর কিংবা অনেকটা সময় তবে ব্যর্থ হয়ে সেই জেগে থাকার ঘরে কড়া নাড়তে হলো কারণ ঘুম তখনও আসেনি চোখ জুড়ে,,।
নিজের মর্জি মতো ঘুমানো মানুষ গুলো প্রকৃত পক্ষে সুখী হয়,, কারণ কি জানেন সুখী মানুষদের চোখে ঘুম থাকে অনেক,,।
আর কিছু মানুষ আছে যাদের রাত জাগতে ভালো লাগে না,, তবুও জেগে থাকতে হয়,,কারণ ঘুম নামের সেই সুখের তরী তাদের কাছে আসতে অনেক সময় নিয়ে নেয়,,।
মিস্টি পরী
রেখেছি তোমায় মোর হৃদয়েতে ভরি।
ভালো থেকো সুখে থেকো যেভাবেই আছো তুমি
হে দয়াময় হও তার সহায় প্রার্থনা করে যাই আমি।
চাইলে কাওকে হাসানো যায়,
কিন্তু সবাইকে কাঁদানো যায়না,
মানুষ সবার জন্য কাঁদেনা!
alone wherever I go
alone whatever I do
alone all the time
alone what I should do
alone in every day
alone in every way
alone all the time
alone I am agonizing with each passing day
alone I wanna suicide
alone no one in my side
alone all the time
alone I will suicide
alone I cant sleep at night
alone I am shaking from the fright
alone all the time
alone I`m gonna end this loneliness tonight
alone I cry
alone I fail when I try
alone I lived all my life
and here I am.. alone I die
Misty Pori wanna you lot’s
come to me time become short’s
may be I will die slowly
why not come to me quickly
একটাই আমার মনের মানুষ
কোটি মানুষের ভীরে
চোখের আড়ালে চলে গেলেও
রয়েছো হৃদয় জুড়ে।
তোমাকে যখন দেখি,
তার চেয়ে বেশি দেখি
যখন দেখি না।
হৃদয় টা এক্সরে করে দেখো মিস্টি পরী
এ হৃদয়ে শুধু তোমারই অবস্থান।
বরের সাথে ঝগড়া করে বাবার বাড়ি আসার আগেই বরকে বললাম,
“ কোন কিছুর জন্যে যদি নির্লজ্জের মতো আমাকে ফোন করো তাহলে তোমাকে আমি গুন্ডা দিয়ে পেটাবো। ”
“ হিহ! শখ কতো। তোমাকে ফোন করবো আমি? তোমার কোন প্রয়োজনই নেই আমার। ”
.
বাবার বাড়ি আসার ২০ মিনিটের মধ্যেই শ্রাবনের ফোন! ফোন রিসিভ করতেই শ্রাবণ বলে,
“ এই মিস্টি পরী শুনো আমার জুতাগুলো কই রাখো তুমি? অফিসের সময় হয়ে যাচ্ছে কিন্তু এখনো জুতা খুঁজে পাচ্ছিনা। ”
“ আলনার নিচে বক্স করে রাখা আছে দেখো এবং তারাতাড়ি অফিসের জন্যে বের হও। ”
.
ঘন্টাখানেক পর আবার শ্রাবনের ফোন,
“ এই শুনো, অফিসের এসাইনমেন্টের ফাইল কোনটা? লাল নাকি নীলটা? ”
“ বাসা থেকে সব ঠিক করে যাওনি কেন? লালটাই তোমার অফিস এসাইনমেন্টের ফাইল। ”
.
রাতে আবার শ্রাবনের ফোন,
“ এই মিস্টি পরী শুনো, আমি ভাত রান্না করতে এসে না ভাত পুড়ে ফেলছি! ডিমভাজি করতে গিয়ে হাতে গরম তেলের ছিটকে পড়েছে। শর্টকাটে কি রান্না করে খাওয়া যায় একটু টিপস দাওনা। ”
“ উফ! তোমাকে রান্নাঘরে যেতে বলেছে কে? নিজের হাতটাই জ্বালিয়েছো আর পুরো রান্নাঘরটাই তুমি উলটপালট করে ফেলেছো তা আমি বুঝে গেছি। আজকের জন্যে বাইরে থেকে খাবার অর্ডার করে খাও। ”
.
রাত ১২টার দিকে ঘুমের মধ্যে ফোনের আওয়াজে বিরক্ত হয়ে জাগলাম! খুবই রেগে গিয়ে ফোনটা রিসিভ করলাম,
“ এই শুনো, আমার কম্বলটা কোথায় রাখছো? খুবই ঠান্ডা লাগছে আজ। ”
“ আলমারির দ্বিতীয় ড্রয়েরটাতে দেখো পেয়ে যাবে! আমাকেতো তোমার নাকি কোন প্রয়োজন নাই তবুও কেন এতো ফোন দাও? এই মধ্যরাতেও ফোন দিয়ে আমার ঘুমটা ভাঙলে। স্বীকার করো আমাকে ছাড়া তুমি চলতেই পারোনা। ছাগল একটা ”
“ হুহ! বিলাই, নিজেকে কি মনে করো? তোমাকে ছাড়া আমি দিব্যি চলতে পারি। তোমাকে আমার প্রয়োজন নেই। ”
এই বলে শ্রাবণ ফোনটা কেটে দেয়!
.
কিছুক্ষণ পরেই আবার শ্রাবনের ফোন,
“ এই বিলাই শুনো, মশা মারার স্প্রেটা কই বলোতো? মশার কামড়ে তোমার ছাগলের পুরো শরীর জ্বলে যাচ্ছে।
(সম্পাদিত)
রাত্রি বলবে নেই,
নক্ষত্র বলবে নেই
শহর বলবে নেই,
সাগর বলবে নেই,
নদী বলবে নেই,
সকুনের দল বলবে নেই,
সবাই বলবে নেই
শুধু হৃদয় বলবে – আছে।
আমার মিস্টি পরী আমার হৃদয়েতেই আছে।
ভালোবাসলে বেশি কিছুর দরকার পড়ে না,
শুধু সামান্য ইশারায় একে অপরের মন বুঝে নেওয়ার ক্ষমতার দরকার পড়ে…
নাস্তা বানাতে হবেনা। আরো একটু থাকো বিলাই! নিতে দাও আমায় তোমার উত্তাপ ……
মিস্টি পরী!!!
তুমি হাসতে পারলে,
আমিও হাসতে পারবো ..
তুমি কাঁদতে পারলে,
আমিও কাঁদতে পারবো ..
তুমি ভালোবাসতে পারলে,
আমিও ভালোবাসতে পারবো ..
শুধু একটা কাজ আমি করতে পারবো না,
তা হল তুমি যদি কখনো কোনদিন আমায় ভুলে যাও………..
তাহলেও আমি পারবোনো তোমায় ভুলতে মিস্টি পরী।
মানুষ কতো কিছুই না করে পুরোনো সব স্মৃতি ভুলার জন্য। কিন্তু কি জানেন সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। সাময়িক ভুলে থাকলেও চিরতরে ভুলাটা কারোর পক্ষে সম্ভব নয়…!!
এমন কিছু সময় আসে জীবনে তখন নিজের বাক শক্তি হারিয়ে ফেলি। খুব করে তার সাথে কথা বলতে ইচ্ছে করে কিন্তু কিছুই করার থাকে না তখন…!!!
নিজেকে দম বন্ধ করে কন্ট্রোল করা লাগে। আসলে আমরা না চাইলেও মনের বিপক্ষে হাঁটা লাগে..!!
সীমাহীন ভালবাসা আমার প্রয়োজন নেই মিস্টি পরী,,
তুমি আমাকে শুধু শিশির কণার মতো এক বিন্দু ভালবাসা দিও ,,
আমি তোমাকে সারা জীবন আমার সব ভালবাসা দিয়ে যাবো….
মিস্টি পরী তোমায় আমি ভালোবাসি
যতোটুকু ভাবছো তার চেয়েও অনেক বেশি।
ভালোবাসার মানুষের জন্য মানুষিক রোগী হলেও ভালোবাসার মানুষটিকে চাই আজীবন। বাহুবন্ধনে না পেলেও হৃদয়ের বন্ধনে চাই।
মনের অনুভুতিগুলো কাউকে বোঝানো যায়না। মনের অব্যক্ত কথাগুলো কাউকে বলা যায়না। মাঝে মাঝে খুব চিৎকার করে কাঁদতে ইচ্ছে করে। মিস্টি পরী, তোমার জন্য জমানো কথা গুলো অনুভূতি গুলো চিৎকার করে বলতে ইচ্ছে করে। মনে হয় অনুভূতি গুলো কাউকে বললে ভিতরটা একটু খালি হতো..!!
এই কথা গুলো বয়ে বেড়াতে বেড়াতে যেন নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে আসে। কিন্তু আমার অব্যক্ত কথা গুলো কোথাও ঠাঁই পায় না। স্মৃতির আকাশটা আজ ধোঁয়াশা হয়ে গেছে..!!
অন্ধকার আচ্ছন্নে আমি যেন বিলিন হয়ে যাচ্ছি। নিজেকে বরাবরই আড়াল করে রাখি তাও যেন কোথাও স্বস্তি মিলছে না। নিজের কাছে নিজেকে আজ বড্ড অচেনা মানুষ মনে হয়…!!
কিছু কষ্ট বুকের ভিতর জন্ম নেয়, যা অসীম সুখ দিয়েও আড়াল করা যায় না। তেমনি কোনো কোনো মানুষের জীবনে এমন একজন আসে যে হারিয়ে গেলেও তাকে কখনই ভুলে যাওয়া সম্ভব হয় না ! যেমন আমি ভুলতে পারি নি…!!
ভুলা কি সম্ভব মিস্টি পরী!!!
তুমি যে আমার জীবনের উপহার
কি করে তোমায় আমি ভুলবো
যতো দিতে চাও
যাতনা দিয়ে যাও
তবুও তোমায় ভালোবাসবো।
একদিন রাতে বৃদ্ধাশ্রমের উঠোনে বসে দুজনে আকাশের চাঁদ দেখবো, পান খেতে খেতে দুজনে ফেলে আসা দিনগুলোর কথা মনে করে খুব হাসবো, “বিশ্বাস করো” বৃদ্ধ বয়সে মায়া করার জন্য একজন বুড়ির খুব দরকার আমার, একজন সাদা চুলের বুড়ির দিকে তাকিয়ে আমার জীবনের শেষ দিনগুলি কাটিয়ে দিবো, তুমি কি সেই দিনটাতে আমার পাশে রবে মিস্টি পরী?
জীবন বড়ই অদ্ভুত!
যে পায় সে সব কিছু পায়
আর যে পায় না
তার জীবন খাতা সারা জীবন শুন্যই রয়ে যায়।
মিস্টি পরী,
সাধনা ছাড়াই যে তোমাকে পেয়ে গেলো,
সে তো কোনোদিনও জানতে পারবেনা, তুমি কতটা মূল্যবান!
(মিস্টি পরীর সাথে মিস্টি ঝগড়া)
.
ঘুম থেকে উঠে দেখি বউ আমার বেজায় রেগে
-এই যে মিস্টি বউ আমার নাস্তা কই??
-তোমার আজ নাস্তা নাই।।এবং দুপুরেও ভাত দিব না।।
-আমার অপরাধ??
-ঘুম থেকে দেরী করে উঠছ ৮টার জায়গায় ১০.৩০ মিনিটে।
-তুমি আমায় ডাকো নাই। দোষ আমার না। দোষ সব তোমার।
-কি ডাকি নাই।।অনেক ডাকছি উল্টা আমারে তুমি চুল ধরে টান দিছো।
-বল কি আমি চুল ধরছিলাম এ হতেই পারে না।।
আমি তো স্বপ্নে সুইটির চুল গুলা আদর করে ধরছিলাম।।।
-কি সুইটি কে??আর তুমি অন্য মেয়েদের স্বপ্নে আদর কর তাই না।।।ছাগল কোথাকার।।
-এতে আমার দোষ কই, এই স্বপ্ন তো আর আমি ইচ্ছা করে দেখি নাই।
-সারা দিন অন্য মেয়েদের কথা ভাব আর রাত হলে তো স্বপ্নেই ওই গুলাই দেখবা।।আজ থেকে ৩দিন তোমারে খাবার দেয়া হবে না। আজ থেকে লাগাতার হরতাল। আর আমার সাথেও ঘুমাতে পারবা না।।আমার সাথে ঘুমাবা আর অন্য মেয়েদের নিয়া স্বপ্ন দেখবা।।।বের হও।।।।
-বল কি মিস্টি পরী…একটা অপরাধের এত গুলান শাস্তি।।
আমি হাই কোর্ট এ আপিল করব।।।
-লাভ নাই সুপ্রিম কোর্টে গেলেও কাজ হবেনা ।।।
-অকে আমি আর এই ৩দিন বাসায় আসুম না।। বাই..
-আইচ্ছা ভালো থেকো বাবু।।
– শুধু শুধুই আমি তোমায় মিস্টি পরী বলি। তুমি তেঁতুলের থেকেও টক করলার থেকেও তিতা। বিলাই।
-অই বিলাই বললা কেন? সাত দিন বাসায় আসবা না।
.
রাগে গজ গজ করতে করতে বাসা থেকে বের হয়ে আসলাম যেন আমি ওরে বিয়া করি নাই ওই আমারে বিয়া করতছ।।
বাসা থেকে বের হইছি কিছুই খাই নাই এইদিকে ভূলে বাসায় মানিব্যাগ টা ও ফেলে এসেছি।।
মিজাজ চরম ভাবে খারাপ খিদাও লাগছে প্রচুর।। এক বন্ধুরে ফোন দিয়া এনে হোটেলে ঢুকে চা-নাস্তা খেয়ে পেট টারে শান্তি
করলাম। কথায় বলে পেট ঠান্ডা তো দুনিয়া ঠান্ডা।।।
.
হঠাৎ ফোন টা বেজে উঠল ওরে বাহ
বিলাই ফোন দিছে…
-হ্যালো…
-কই তুমি??
-আমি জাহান্নামে…কেন আসবা নাকি??
-বাসায় আসো…
-আসতে পারব না।।।পারলে কিছু টাকা বিকাশ করিয়া দেও।।মানিব্যাগ টা বাসায় রেখে আসছি তো তাই।।।
-পারব না।।কিছু খাইছ..
-না খাই নাই টাকা থাকলে তো খামু (যদিও খাইছি)।। মানিব্যাগ তো বাসায়।।
-বাসায় চলে আসো।।
-আসব না।।।
-না আসলে এসো না।।ওই খানেই সুইটির কাছে
থাকো।।
-আচ্ছা।।।
বলেই ফোন টা কেটে দিলাম আর বন্ধও করে দিলাম।।।
.
সারা টা দিন এই সেই করে ঘুরে বেরালাম । নিজেরেকেমন মুক্ত মুক্ত লাগছে।।দিন তো গেল কিন্তু রাতে কি হব? বাসায় তো যামু না বলছি এখন থাকুম কই।।
বাসার দিকে হাটা শুরু করলাম।।আর মোবাইল টা ও অন করলাম ওরে বাহ আমার মোবাইলে দেখি ১০০০টাকা বিকাশে আসছে।।
১৩টা মেসেজ দিছে আমার মিস্টি পরী। সব কটিতেই বাসায়
আসো বাসায় আসো।।
.
বাসায় পৌঁছে রুমের দিকে এগোচ্ছি এমন সময় ছোট বোন দেখি
অগ্নি চোখে চেয়ে আছে।।বললাম
-কি হয়েছে….
-ভাবী সকালে থেকে এখনো কিছু খায় নাই।।
-কেন??
-মন চাচ্ছে তরে একটা থাপ্পড় মারি।।বড় তাই মারলাম না।।ভাবি তরে ছাড়া কখনো খেয়েছে।।
.
এই বার বুঝলাম আসল ঘটনা..রুমে গিয়া দেখি
লাইটঅফ বিষয় কি??লাইট জ্বালালাম ওমা বিলাই দেখি
কেঁদে কেঁদে চোখ ২টা ইয়া বড়
আর লাল করছে।।
পাশে গিয়ে বসলাম..
-মিস্টি পরী সরি।।
-কেঁদেই যাচ্ছে নো আন্সার।।
-এই মিস্টি পরী বললাম তো সরি।।।
-তুমি বাসা থেকে বের হয়ে গেলা কেন?? আমি না হয় রেগে বলছি তাই বলে চলে যাবা আর ফোন অফ রাখছিলা কেন??
-আসলে আমি অতটা বুঝি নাই।।
-জানো আমি কতটা কষ্ট পাইছি।।
-হুম সরি সুইটু,,আর এমন হবে না।।তুমি নাকি খাও নাই।।
-তোমাকে ছাড়া খেয়েছি কখনো(একটু রেগেই বলল)
-ও তাই তো।।।
-চল একসাথে দুজন খাই।।
-না আমি খাব না।।
-তাহলে আবার চলে যাই।।
-মেরে হাড্ডি ভেঙ্গে দেবো।। ছাগল।
-তাহলে চল…
এই বলে মিস্টি পরীর কপালে আলত করে একটা চুমু দিলাম।।ওরে মা বিলাই দেখি লজ্জা পেয়ে আমার বুকেই মুখ লুকিয়েছে।।।তাহলে আমি কি করুম তাই আমিও আমার মিস্টি বিলাই টা কে আরেকটু শক্ত করে ধরলাম…….
দরজায় করাঘাত এর সব্দ পেয়ে মিস্টি পরী আমার বুকের থেকে উঠে দৌড়ে পালালো। সপ্ন ভেঙ্গে গেল।গভীর ঘুমে আমার মিস্টি পরীকে স্বপ্নে একটু ভালোবাসবো সেটাও হলো না। দরজা খুলে দেখি পেপার ওয়ালা। বজ্জাত পেপার ওয়ালা আমার মিস্টি পরী টা কে একটু আদর করতেও দিলো না।
মিস্টি পরী বউ হলে যেমন হতো আমাদের সংসার …..
– টিভি বন্ধ করলে কেনো? খবর দেখতেছি দেখোনা?
– কি খবর দেখো? ওখানেতো মিস্টি পরীর কথা কিছু বলেনা
– তোমার কথা বলবে কেনো? তুমি কি প্রধানমন্ত্রী?
– না আমি তোমার ব্যাক্তিগত মন্ত্রী
– অযথা কথা না বলে টিভিটা অন করো
– তুমি রুপাকে খুব ভালোবাসো তাইনা??
– রুপা??? এইটা আবার কে??
– সেটা আমি কি করে জানবো? আচ্ছা খবর দেখো
– রুপা কে আমি আসলেই চিনিনা, এই নামের কারো সাথে আমার কোনদিন পরিচয় হয়নাই
– ঠিক আছে টিভি দেখো
– আগে বলো রুপা চরিত্র কোথায় পাইছো??
– রুপা কি তোমার গার্ল ফ্রেন্ডের নাম ছিলো?
– আরে কি রুপা রুপা শুরু করছো সমস্যা কি?
– তুমি আগে স্বীকার করো রুপাকে তুমি ভালোবাসো
– হ্যাঁ ভালোবাসি
– বাহ আসলেইতো আমার ধারনা ঠিক, তুমি রপা নামের কাউকে ভালোবাসো অথচ আমার নাম রুপা না
– আমি ঠিক বুঝলামনা মিস্টি পরী, কি বলো এইসব??
– তুমিই তো একটু আগে স্বীকার করলে তুমি রুপাকে ভালোবাসো
– কখন?? আন্দাজে কথা
– মনে করে দেখো
– ও ভুলে বলছি , আসলে ভাবছি আমি ভালোবাসি বললে তুমি বলে দেবে রুপাটা আসলে কে
– তুমি এত বোকা???
– হুম আমি বোকা, এবার বলো রুপা চরিত্রটা কোথা থেকে আসলো??
– তুমি রুপাকে ভালো না বাসলে তোমার গেঞ্জীতে বুকের বামদিকে লাল কালিতে রুপা লেখা আছে কেনো??
– কিহ??? এটাতো কোম্পানীর নাম মানে একটা ব্র্যান্ড
– ব্র্যান্ড ট্র্যান্ড বুঝিনা, তুমি এখন এই রুপা লিখাটা কাটো, কেটে আমার নাম লিখো মিস্টি পরী লিখো এখনি।
– এটা একটা কথা বলছো তুমি?? হাস্যকর
– আমার কথা তো হাস্যকরই লাগবে, আমিতো রুপা না
– আচ্ছা ঠিক আছে রুপার নাম কেটে দিচ্ছি
– না থাক, ওইটাতো ব্র্যান্ডের নাম, সমস্যা নেই
– তাহলে রিমোট দাও, খবর দেখবো
– খবর শেষ
– যে চ্যানেলে খবর দেখায় সে চ্যানেল দেখবো-
কেনো ওখানে কি রুপার খবর দেখাবে??
– ধুর টিভিই দেখবোনা
– না ঠিক আছে দেখো, খবর দেখো, কিন্তু খবর পড়া মেয়ের দিকে তাকিয়ে থাকবেনা, তাকাবা শুধু মিস্টি পরীর দিকে।
অহহ….এখন তাকাবা কেন, এখন তো তোমার বউ, সেই ক্লাস সিক্স থেকে তো এক নজর দেখার জন্য তো কতো কিছু করছো।
বৃস্টির মধ্যেও দাড়ায়া থাকতা। ছাগল একটা
– অই ছাগল কইলা কেন বিলাই
– আমি বিলাই নাআ….. দাড়াও তোমার আজ ভাত বন্ধ।
-অই এতো রাতে হোটেল সব বন্ধ।খাবো কি।
-কেন বিলাই বলার সময় মনে ছিলোনা? তোমার আজ রাতে শুধু ভাত বন্ধ না, সব বন্ধ, আজ হরতাল।
– অই হরতাল প্রত্যাহার করো।
-আলোচনায় বসো আগে।
(মিস্টি পরী আমার সাথে আলোচনায় বসে। মিস্টি পরী অদ্ভুত সব দাবী তুলতে থাকে। মিস্টি পরী বলে আমাদের একটি মেয়ে হলে নাম রাখবো মাইশা । আমি বললাম নাম হবে নদী। তুমুল ঝগড়া। শেষে সিদ্ধান্ত হলো মেয়ের নাম হবে মাইশা নদী। ভাবলাম হরতাল থেকে না জানি কখন কারফিউ হয়ে যায়। ডান হাত টি থুতনির নিচে রেখে বাম হাত দিয়ে মাথাটি ধরে আলতো করে আমার ঠোঁটের সামনে নিয়ে এসে হারিয়ে গেলাম আমার মিস্টি পরীর কোমল ঠোঁটের মাঝে।)
তারপর?
তারপর আর কি! হরতাল শেষ, গাড়ী প্রস্তুত, ড্রাইভার গাড়ী স্টার্ট দিয়েছে। গাড়ী চলছে অবিরাম।
কিছু কিছু সময়ে কস্টের সীমানা ছাড়িয়ে গেলেও
মুখে হাসি রেখে সবাইকে বুঝাতে হয়
সব ঠিক ঠাক আছে।
অনেকেই আছে যারা হাজারো কস্ট মনের মধ্যে চেপে ধরে ঠিকই বাহিরের জগতের সাথে তাল মিলিয়ে চলার জন্য হাস্যোজ্জ্বল মুখোশ পরতে হয়।
যখন খুব করে চাওয়া জিনিস টি
না পাওয়ার হিসেবের খাতায় জমা হয়,
তখন পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ কিছু হাতের মুঠোয় এলেও
পাওয়ার ইচ্ছেটাই মরে যায়।
জানিনা কিভাবে ভালোবাসতে হয় মিষ্টি পরী,
তবে তোমাকে অনেক ভালোবাসি সেটা বুঝতে পারি।
এখনও তোমাকে কাছে পাবার ইচ্ছে হয় ,
তবে সময়ের সাথে সাথে প্রকাশ ভঙ্গিতে পরিবর্তন এসেছে।
ইচ্ছে হলেও বলতে পারিনা তোমাকে ছাড়া বাঁচবো না,
কারন এতদিন তো বেঁচে ছিলাম।
তবে এই বেঁচে থাকা অনেক কষ্টের ,
প্রতিটা মুহূর্তে মৃত্যুর স্বাদ,
তুমি হয়ত সত্যিকারের ভালোবাসার মূল্য দিতে চাওনি,
হয়ত যোগ্যতা , কিংবা চেহারায়
আমি পরাজিত হতে পারি সবার কাছে ,
তবে তোমাকে ভালোবাসায় হাজারও বার জিতবো ।
তোমাকে ভালোবাসতাম মিষ্টি পরী , ভালোবাসি এখনো ,
ভালোবাসবো চিরকাল…..
কোন চঞ্চল, প্রাণোচ্ছল মানুষ যখন
হঠাৎ করে শান্ত হয়ে যায়,
তখন বুঝতে হবে,
আঘাত টা বেশ তীব্র ছিল।
আমার যেতে সরে না মন–
তোমার দুয়ার পারায়ে
আমি যাই যে হারায়ে
অতল বিরহে নিমগন॥
চলিতে চলিতে পথে
সকলই দেখি যেন মিছে,
নিখিল ভুবন পিছে ডাকে অনুক্ষণ॥
আমার মনে কেবলই বাজে
তোমায় কিছু দেওয়া হল না যে।
যবে চলে যাই
পদে পদে বাধা পাই,
ফিরে ফিরে আসি অকারণ॥
(211007-752)
আজ তোমারে দেখতে এলেম
অনেক দিনের পরে।
ভয় কোরো না, সুখে থাকো,
বেশিক্ষণ থাকব নাকো–
এসেছি দণ্ড-দুয়ের তরে॥
দেখব শুধু মুখখানি,
শুনাও যদি শুনব বাণী,
নাহয় যাব আড়াল
থেকে হাসি দেখে দেশান্তরে॥
(211007-359-738)
রোদ পোড়ায় বাহির
বৃষ্টি ভেজায় জলে,
মানুষ পোড়ায় ভেতর
ভালোবাসার ছলে।
যদি আমি তোমার কোন কথায় বা আচরণে দুঃখ পাই তবে নিঃসন্দেহে আমি তোমাকে সামান্য হলো ও ভালোবাসি, আমি তোমাকে ভালোবাসি কিনা জানতে হলে খুঁজে দেখো আমি তোমার কারণে কোন দুঃখ পাই কিনা।
কতটুকু ভালবাসি জানতে চাইলে, তোমার আমাকে গভীর ভাবে আঘাত করতে হবে, তোমার জানতে হবে, তুমি আমাকে কতটুকুই বা দুঃখ দিতে পারো।!?আর আমি সে দুঃখ পেয়ে কতটা সহ্য করতে পারি নাকি কেঁদে ফেলি।
কারন মন খারাপ করা আর কারো কথায় কষ্ট পেয়ে কেঁদে ফেলা এক নয়। মন খারাপ যে কোন কারণে হতে পারে, চোখে জল সবার জন্য আসে না।
কাউকে মন থেকে চাইলে সেটা কখনো ভুলা যায় না।হোক সেটা কয়েকদিনের কিংবা কয়েক বছরের প্রেম। সেই মানুষটা চলে গেলেও নিজের মধ্যে তার স্মৃতিগুলো প্রতিনিয়ত তার কথা মনে করিয়ে দেয়।
কারন তাকে নিয়ে যে তার স্বপ্নগুলো ছিলো। সেই স্বপ্ন গুলো আজ তার কাছে স্বপ্নই থেকে গেলো
কারন যাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখা সে মানুষটাই যে আজ নেই। তার যাওয়ার সাথে সাথে সেগুলোও সে নিয়ে যায় আর দিয়ে যায় এক বুক যন্ত্রণা।
তাকে এক বুক যন্ত্রনা দেওয়ার পরও সে ওই মানুষটার কথা ই ভাবে।কারন কাউকে সত্যিকারের ভালোবাসলে তাকে ভুলাটা অসম্ভব।
তার প্রতি সারা জীবন একটা দুর্বলতা কাজ করবেই।যতই সে ছেড়ে যাক না কেন।
কারন কাউকে প্রচন্ডভাবে ভালোবাসার মধ্যে এক প্রকার দুর্বলতা কাজ করে। যা,মানুষেরা কখনোই ভুলতে পারে না, জীবনের শেষ অবধি সেই মানুষটাকেই স্মরণ করে থাকে।
একতরফা ভালোবাসা কখনোই টিকে থাকে না,
একটা লাঠি আপনি আঁঘাত করতে করতে এক সময় ভেঙ্গে ফেলতে পারবেন,
কিন্তু , দুটি লাঠি একসাথে ভাঙ্গতে পারবেন না,
ভালোবাসার সম্পর্ক টাও ঠিক এরকম,
যখন দুজন একসাথে একমত হয়ে থাকে,
তখন তাদেরকে কেউ কখনো আলাদা করতে পারে না
আপনার অবহেলায় যদি আপনার ভালোবাসার মানুষটা আপনার থেকে দূরে সরে যায়”””’
আর ফিলিংস গুলো যদি ধীরে ধীরে কমতে থাকে মানুষটার প্রতি…
বুঝে নিবেন মানুষটা আর আপনার নেই অনেকটা দূরে সরে গেছে…”””
তাই তাকে ভুলে যেতে চেষ্টা করাই ভালো এতে কষ্ট হবে কিন্তু দেখবেন ধীরে ধীরে ঠিক ই মানিয়ে নিতে পারবেন…..’
অবহেলা বড় খারাপ..??
কিছু কিছু মানুষ সত্যি খুব অসহায়.. তাদের ভালোলাগা মন্দলাগা, ব্যথা বেদনা গুলো বলার মত কেউ থাকে না.. তাদের কিছু অবাক্ত কথা মনের গভীরেই রয়ে যায় .. আর কিছু কিছু স্মৃতি – এক সময় পরিনত হয় — দীর্ঘ শ্বাসে
প্রতিটা মেয়ের জীবনেই একজন ছেলে থাকে যাকে সে মন থেকে কখনোই ভুলতে পারে না।
আর প্রতিটা ছেলের জীবনেই একজন মেয়ে থাকে যাকে সে মন থেকে চায় কিন্তু কখনোই পায় না।
অবহেলা খুবই ভয়ংকর একটা জিনিস,
যা জীবিত একটা মানুষের বেঁচে থাকার ইচ্ছে কে মেরে ফেলে।
বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই
যে মানুষটা প্রথম ভালবাসতে শিখায়,
সে সারাজীবন পাশে থাকেনা।
“নিথর রাত ……….
ভালোবাসার শিশির ঝরে টুপটাপ …
কখনো ভেজা গালে,
কখনো বা মনের হারানো দুয়ারে ..
কিছু অনুপম ছোয়া ,
আঁকিবুকি কাটে অনুক্ষণ..
প্রেম এসেছে আজ..
সুরের হাওয়ায় তাই উদাস সুর..
পথ হাঁটা বাকি, অনেক দূর..”
তোমার সাথে লেখাপড়া
তোমার সাথে খেলা,
ভালবাসি মিষ্টি পরি
কইরো নাকো হেলা।
কল্পনায় ক্লাসমেট কে ভালোবেসে বিয়ে করার পর কল্পনায় কথোপকথন)
বউকে বাবু লিখতে গিয়ে বুবু লিখে ফেলেছি। মেসেজটা রিমুভ করার আগেই বউ তেলেবেগুনে জ্বলে উঠে বলল….
.
–আমি তোর বুবু হই?
.
-সরি সোনা, ওটা বাবু লিখতে মিস্টেক।
.
–আমার সামনে নাটক করবিনা।
.
-সত্যি আমি ইচ্ছে করে বুবু লিখিনি।
.
–আহা ন্যাকামি, আমার সাথে ফাইজলামি?
.
-অদ্ভুত তো, রেগে যাচ্ছ কেনো বউ?
.
–খবরদার বউ ডাকবি না।
.
-ও মনা সরি বললামতো…?
.
–তোর ভাত বন্ধ।
.
-রমজান মাস, শুধু সেহরি আর ইফতার দিলেই হবে।
.
–তরে কিচ্ছু দিমুনা, হুদামুদা পানি দিয়া সেহরি খাবি, হুদামুদা পানি পানি দিয়া ইফতার করবি।
.
-হুদামুদা পানি আবার কি?
.
–তোর মাথা।
.
-রেগে যাচ্ছ কেন বউ…
.
–আরেকবার বউ বললে তোর মাথায় বেল ফাটাবো।
.
-সরি বউ….
.
you can’t reply to this conversation…… learn more..
.
কি আজব ব্যাপার? এভাবে কেউ ঘরের স্বামীকে ব্লক দেয়? হায়রে রাগ! বাসায় গিয়ে বউয়ের রাগ ভাঙ্গানোর চেষ্টা করলাম। রাগতো ভাঙ্গেনা, উল্টা রাগের পরিমান বাড়ায়। বউকে হাসানোর জন্য ব্যাঙের মত লাফিয়ে ড্যান্স দিলাম। বিনিময়ে খেলাম খুন্তির বারি। ইফাতারের সময় বউ আমার জন্য আলাদা প্লেটে শুধু মুড়ি আর গুনেগুনে ৫ টা বুট দিলো। বললাম….
.
–এগুলা কি?
.
-তোমার ইফতার, বেশি কথা বললে এগুলোও পাবেনা।
.
–এভাবে কেউ ইফতার করে?
.
-বুবু লেখার সময় মনে ছিলনা?
.
–ও বউ ওটা মিস্টেক ছিলো।
.
বউ বলাতে বউ আমার বুট পাঁচটা নিয়ে নিজের প্লেটে রাখলো। আমি আহাম্মক হয়ে গেলাম, বউ বলল….
.
–এভাবে হা করে তাকিয়ে আছো কেনো? অন্যের ইফতারের দিকে তাকিয়ে থাকতে লজ্জা করেনা?
.
-অন্যেরর ইফতার কোথায় পেলে? ওটাতো আমাদের ইফতার।
.
–হাহাহাহহা….হু হু হু….
.
-হাসছো কেনো এভাবে….?
.
–হুদামুদাই…
.
-মেজাজ খারাপ হচ্ছে কিন্তু।
.
–তো আই কিত্তাম?
.
-কিত্তাম মানে? আসো একসাথে ইফতার করি…?
.
–জেগে জেগে স্বপ্ন দেখা হচ্ছে মিস্টার ?
.
-এই এভাবে কথা বলছো কেনো?
.
–উফফ অফ যাও, একটু পর আযান দিবে…
.
আযান দেওয়ার পর ইফতার শুরু হলো। আমার শুধু পানি আর মুড়ি। বউয়ের জন্য শরবত আরো কত আইটেম। আমি মন খারাপ করে খাওয়া শুরু করলাম। বউ শুধু শরবত টুকু খেয়ে আড়চোখে তাকিয়ে আছে। প্লেটে হাত নড়াচড়া করছে। কিছু খাচ্ছে না। একটুপর বউ আমার দিকে শরবত আর ওর মাখানো মুড়ি গুলো এগিয়ে দিলো। বলল….
.
–মুড়ি দিয়েছি বলে লাই পেয়ে মাথায় উঠোনা। এতিমদের জন্য আমার মায়া হয়। তুমি বউ ছারা এতিম তাই মুড়ি দিলাম।
.
বউয়ের কথা শুনে তব্দা খেয়ে গেলাম। মুচকি হেসে খাওয়া শুরু করলাম। নামাজ পরে খাওয়ার সময় আমাকে একা রেখে বউ খেয়ে উঠলো। আমাকে বলল….
.
–ডাল আর শাক তোমার জন্য। মাছ খাবানা বিলাই, যদি খাও জরিমানা ১০০ টাকা।
.
বউ চলে গেলো। সোফায় গিয়ে বসলো। আমার দিকে তাকিয়ে আছে দেখার চেষ্টা করছে কি খাচ্ছি। মাছ নিচ্ছি না। অর্ধেক খাওয়া হইছে। বউ সোফা থেকে উঠে এসে একটা মাছ দিয়ে বলল….
.
–এবারের মতন জরিমানা মাফ, সামনেবার কোন মাফ নাই। বিলাই জানি কোথাকার….
.
আমি বুঝলাম না কোন এঙ্গেলে আমাকে বিলাইর মতন লাগে। যাকগে বউ তো বলছে। এখন কিছু বললাম না যদি রেগে যায়। তাড়াবির নামাজ পরে এসে দেখি বউ বিছানায় পা দুলিয়ে শুয়ে আছে। আমি ঘুমাতে যাব ঠিক তখন-ই বালিশ দিয়ে বললো….
.
–পাশের রুমে যাও, এ রুমে তোমার জায়গা নেই।
.
-মানে কি এসবের?
.
–মানে তুমি আলাদা ঘুমাবা।
.
-প্লিজ সোনা বউ রাগ করেনা….
.
–হারামি বুবু বলে এখন আবার বউ মারাস…
.
-আচ্ছা যাচ্ছি।
.
মন খারাপ করে অন্য রুমে চলে গেলাম। কপাল খারাপ হলে যা হয় আরকি। ঘুম ভাঙ্গলো কারো নিঃশ্বাসের শব্দে। জেগে দেখি বউ আমার বুকে উপর ঘুমিয়ে আছে। আমি আলতো করে মাথায় হাত রাখলাম। বউ এক ঝটকায় হাত সরিয়ে বলল….
.
–একা রুমে ঘুমাতে ভয় করে তাই এখানে চলে এসেছি, ভেবোনা রাগ কমেছে। এহহহহ আইছে….ছাগল একটা।
.
বলেই বউ উঠে চলে গেলো। সেহরি খেয়ে ফজরের নামাজ পরে একটা ঘুম দিলাম। ঘুম ভাঙ্গলো ১১ টায়। এবারো ব্যাতিক্রম হলোনা। বউ আমাকে জরিয়ে ধরে ঘুমোচ্ছে। আমি হাসলাম, বউয়ের মাথায় হাত বুলিয়ে দিলাম। বললাম….
.
-ওগো শুনছো….
.
–……
.
-লাবন্য…?
.
বউ উঠলনা। বললাম বাবু উঠো, অনেক বেলা হয়েছে। তবুও কোন সারাশব্দ নেই। মাথায় ভুত চাপলো বললাম….
.
–এই বুবু উঠো….
.
-ঐ ঐ কি বললি…? (ঘুম থেকে ধরফরিয়ে উঠে)
.
আমি বউয়ের হুট করে ওঠা দেখে আবুল হয়ে গেলাম। আমতা আমতা করে বললাম….
.
-ক ক কই কিছুনা তো..
.
–সত্যি করে বল কি বললি..?
.
-সোনা বিশ্বাস করো আমি বাবু বলছি।
.
–রোজা রেখে মিথ্যা বলবিনা, বল কি বলছিস…?
.
-আসলে বউ শয়তানি করে তোমায় বুবু….
.
বউ আর কিছু বলতে দিলোনা। হাত ধরে টেনে ঘর থেকে বাইরে বের করলো। কোমরে হাত দিয়ে বলল….
.
–ঈদের আগে যদি বাসায় আসো ঠ্যাঁঙ ভেঙ্গে হাতে ধরিয়ে দিব।
.
-ঠ্যাঁঙ কিগো বউ? পা বলতে পারোনা…?
.
–ছাগল….
.
ঠাসসস করে দরজা বন্ধ করে দিলো। অনেক্ষন ডাকাডাকি করলাম বউ ভিতর থেকে বলল…”ভাইয়া কোন লাভ হবেনা।”
.
বউয়ের মুখে ভাইয়া ডাক শুনে বুকটা ফুসসস করে ডেবে গেলো। দুঃখ ভারাক্রান্ত মন নিয়ে বাসা থেকে বেরিয়ে আসলাম। এক বন্ধুর বাসায় বেড়াতে গেলাম। ইফতারের ৩০ মিনিট আগে বউ ফোন দিলো…আমি হ্যালো বলতেই কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলল….
.
-খুব ভালো লাগে আমায় কষ্ট দিতে?….আমি নাহয় রাগ করে বের করে দিয়েছি তাই বলে সারাদিন একটুও খোঁজখবর নিবেনা।
.
–সরি বউ…
.
-আমি রাখি, ভালো লাগছেনা।
.
–ঐ কাঁদছো কেনো?
.
-আমি কাঁদলে তোর কি?
.
–আমার টিস্যু কেনার টাকা নাই যে।
-হারামি, উগান্ডা, ছাগল, বিলাই তুই বাসায় আয়…উল্টা করে বেধে পিটাবো….
.
–সেমটু বউ।
-টুটটুট….
.
ফোন কেঁটে দিছে। আমি দীর্ঘশ্বাস ছাড়লাম। এই মেয়েটাকে এখনো চিনতে পারলাম না। জানিনা বাসায় গেলে কি হাল করবে। তবে এটা শিউর কেঁদে নাকের পানি চোখের পানি এক করে ফেলবে। বউকে আরেকটু রাগানোর জন্য দোকান থেকে টিস্যু পেপার কিনলাম। ঝড় তুফান কি হয় সেটা পরে দেখা যাবে। আসল কথা হইলো এমন বউ কয়জনের কপালে থাকে। জীবন স্বার্থক।
ক্লাসমেট বিয়ে করার ভাগ্য সবার নেই।
তবে ক্লাসমেট এর সাথে বিয়ে না হওয়াই বোধহয় ভালো।
কারন ক্লাসমেট দুজনেই সমবয়সী ও সহপাঠী হবার কারনে কেউ কাউকেই ছেড়ে কথা বলে না। একসময় দেখা যায় মানুষটা পাশে থাকলেও ভালোবাসাটা থাকেনা।
বিয়ে না হলে মানুষটা না থাকলেও ভালোবাসাটা ঠিকই থেকে যায়।
ভালোবাসা শুধুমাত্র দুজনের কারনে নস্ট হয় না।
তৃতীয় কারো কানাকানি আর টানাটানির কারনেই নস্ট হয়ে যায় ভালোবাসা।
যদি আস্তে আস্তে কমে যায় কথা বলার গল্প,
তবে বুঝে নিও সে পেয়ে গেছে তোমার বিকল্প।
বিখ্যাত কে যেনো বলেছিলো কারো জন্য কখনো জীবন থেমে থাকেনা!!
হুম জীবন কখনোই থেমে থাকেনা,,
জীবন তার পথে ঠিক চলে যায় তবে কেউ কেউ সেই গন্তব্যহীন পথ থেকে চিরতরে হারিয়ে যায় অন্ধকারে।।
সত্যি বলতে জীবন নামক তিনটি শব্দ একটু বেশিই অদ্ভুত…..।।
মানুষ কঠিন আঘাতে প্রিয়জনকে কখনো অভিশাপ দেয়না,
বরং গভীর ভালোবাসায় নিশ্চুপ হয়ে যায়।
কষ্ট নামের অনুভূতি টা মানুষকে মারতে পারে না ঠিকি।
কিন্তু একজন মানুষের বেঁচে থাকার ইচ্ছেটাকে ভালো ভাবেই মেরে দেয়।
জীবনের কিছু ব্যাক্তিগত কথা বলার জন্যও কারো প্রয়োজন হয়,
বাস্তবে অনেকেই উপযুক্ত সেই মানুষের সন্ধান পায় না…..
একটা মেয়ে তার bf কে জিজ্ঞাসা করলোঃ
-আচ্ছা অন্য কারো সাথে আমার বিয়ে হয়ে গেলে কি করবা?
–ছেলেটা উওর দিলো, ভুলে যাবো।
প্রেমিকা প্রশ্ন করলোঃ
–কি রকম?
ছেলেটি বলতে শুরু করলঃ
“মনে করো বিয়ের প্রথম তিনদিন তুমি এক ধরনের ঘোরের মধ্যে থাকবে।শরীরে গয়নার ভার,মুখর মেকআপ এর প্রলেপ,চারদিক থেকে ক্যামেরার ফ্লাশ,মানুষের ভিড়।তুমি চাইলেও তখন আমার কথা মনে করতে পারবে না।”
আর আমি তখন তোমার বিয়ের খবর পেয়ে হয়ত কোন বন্ধুর সাথে উল্টাপাল্টা কিছু খেয়ে পরে থাকবো।আর একটু পর তোমাকে হৃদয়হীনা বলে গালি দিবো,আবার পরক্ষনেই পুরাতন সৃতির কথা মনে করে বন্ধুকে জড়িয়ে ধরে কাদবো।
“বিয়ের পরের দিন তোমার আরো বেস্ত সময় কাটবে, স্বামী আর মিস্টির প্যাকেট এই দুটো হাতে নিয়ে ভিবিন্ন আত্মীয় স্বজনদের বাসায় ঘুরে বেড়াবে।
আমার কথা তখন তোমার হঠাৎ হঠাৎ মনে হবে। এই যন স্বামীর হাত ধরার সময়, এক সাথে রিক্সায় চড়ার সময়। আর আমি তখন ছন্নছাড়া হয়ে ঘুরে বেড়াব।আর বন্ধুদের বলবো,বুঝলি দোস্ত,জীবনে প্রেম ভালোবাসা কিছুই নাই।
” পরের এক মাসে তুমি হানিমুনে যাবে,নতুন বাসা পাবে,শপিং, ম্যাচিং,শত প্লান,আর স্বামীর সাথে হালকা ঝগড়া।
তখন তুমি বিরাট সুখে।
হঠাৎ আমার কথা মনে হলে ভাববে আমার সাথে বিয়ে না হয়ে বোধ হয় ভালোই হয়েছে। আমি ততদিনে বাপ মা কিংবা বড় ভাইয়ের ঝাড়ি খেয়ে মোটামোটি সোজা হয়ে গিয়েছি।ঠিক করেচি কিছু একটা করতে হবে।সবাইকে বলবো,তোমাকে ভুলে গেছি।কিন্ত তখনও মাঝরাতে তোমার মেসেজ গুলো বের করে পড়ে দীর্ঘশ্বাস ছাড়ব।
পরের দু’বছর পর তুমি কোন প্রেমিকা কিংবা নতুন বউ নেই,মা হয়ে গিয়েছো।
পুরাতন প্রেমিকেন স্মৃতি, স্বামীর আহ্লাদ,এসবের চেও বাচ্ছার ড়ায়াপার,পিটার এসব নিয়ে বেশি চিন্তিত থাকবে।অর্থাৎ তখন আমি তোমার জীবন থেকে মোটামুটি পারমানেন্টলি ড়িলিট হয়ে যাবো।
“এদিকে আমিও একটা কাজ পেয়েছি।বিয়ের কথা চলছে।মেয়েও পচন্দ হয়েছে।আমি এখন ভীষণ ব্যাস্ত।এবার সত্যিই আমি তোমাকে ভুলে গিয়েছি।শুধু রাস্তা ঘাটে কোন কাপল দেখলে তোমার কথা মনে পড়বে।কিন্ত তখন আর দীর্ঘশ্বাসও আসবে না।
.
এতদুর পর্যন্ত বলার পর ছেলেটি দেখলো প্রেমিকা ছলছল চোখ নিয়ে ছেলেটির দিকে তাকিয়ে আছে।
মুখে কোন কথা নেই। ছেলেটি ও চুপচাপ।
একটু পর প্রেমিকা বললোঃ
” তবে কি সেখানেই শেষ?
ছেলেটি বলল, না।
“কোন এক মন খারাপের রাতে তোমার স্বামী নাক ড়েকে ঘুমাবে,এদিকে আমার বউও ব্যাস্ত থাকবে নিজের ঘুমের রাজ্যে।শুধু তোমার আর আমার চোখে ঘুম থাকবে না।সেদিন অতীত আমাদের দুজনকে নিঃশব্দে কাঁদাবে, খুভ কাঁদাবে, সৃস্টিকর্তা ব্যাতিত যে কান্নার কথা কেউ জানবে না,কেউ না….এটাই বাস্তবতা।
~
ভালো থাকুক সবার বুকের বাম পাশের মানুষ গুলো..যে যার মতো করে
সময়ের বিবর্তনে মানুষ অনেক কিছুই ভুলে যায়। জীবনের এই আকাঁবাঁকা মেঠো পথ ধরে হাটতে গিয়ে কত রং বেরঙ্গের মানুষের সাথে পরিচয় হয় কিন্তুু সময়ের স্রোত সেসব পরিচিত মুখ গুলো আবার হারিয়ে ওযায়। এরি নাম জীবন!!
মাঝে মাঝে মনে হয় সেই সব পরিচিতি মুখগুলো দৈনন্দিন জীবনের জরিয়ে একটা অংশ, আর তাদের ছাড়া জীবন অচল কিন্তুু যখন হারিয়ে যায় সেই মানুষগুলো তখন সাময়িক খুব কষ্ট হয় তার পর আস্তে আস্তে মরুভুমির পুরো বালির স্তরে চাপা পরে যায়। স্মৃতি গুলো মুছে যায় জীবন থেকে। এরি নামই জীবন!!
কিছু মানুষ, কিছু কথা কিছু ব্যাথা থেকে যায় আজিবন শুধুই মন পাজরের গোপন সেলের ভেতর।
ভালোবাসা দূর আকাশের সেই নিরব চাঁদ,
যাকে দেখা যায় কিন্তু ছোঁয়া যায়না ।
ভালোবাসা সেই সৃষ্টি যাকে আজীবন মনে রাখা যায় ।
কিন্তু তাকে ভুলে যাওয়া যায় না।
তোমারে আমি হারাইনি মিস্টি পরি। কেবল লুকিয়ে রেখেছি।
আমার জীবনে প্রতিটা মূহুর্তে আমি তোমারে পাইছি কিন্তু আফসোস তুমি আমারে পাইলা না। তুমি কি ভাবছো আমার সাথে সারা জীবন কাটালে আমি তোমার হয়ে যাব, এটা তোমার ভুল ধারণা…!!!
একটা মানুষ সারা জীবন এক সাথে থাকলে বা এক বিছানায় ঘুমাইলেও দুজনের মনের মধ্যে হাজার মাইল ডিস্টেন্স থাকে…!!!
তোমার সাথে হয়তো আমি এক জীবন কাটাতে পারবো না তাও আমার এক জীবনে আমার সাথে ছায়া হয়ে থাকবে। কিন্তু তোমার জন্য দুঃখ হয় তুমি আমারে তোমার অনুভবেও রাখতে পারো নাই…!!!
অথচ আমি তোমার থেকে অনেক দূরে থেকেও কি অদ্ভুত ভাবে আমার বুকের ভিতর চুপটি করে লুকিয়ে রেখেছি…!!!
আমার প্রতিটা দীর্ঘশ্বাস এ তোমারে পাইছি, আমার প্রতিটা মন খারাপে তোমারে পাইছি, আমার প্রতিটা হাসিতে তোমারে পাইছি…!!!
অথচ আমি যখন স্বয়ং তোমার সামনে দাঁড়িয়ে ছিলাম তখন‌ও তুমি আমারে পাইলা না। শত ব্যস্ততার মাঝেও হাজারো কোলাহলে ভীরে তুমি নাই জেনেও আমি তোমারে খুঁজছি…!!!
কিন্তু কি জানো তুমি চলে গেছ ঠিকই কিন্তু কিছু নিয়ে যেতে পারো নাই। তুমি চলে যাওয়ার পর‌ও আমার প্রতিটা সত্ত্বা জুড়ে তুমি ঠিক আগের মতোই রয়ে গেছো…!!!
আজ এই দিন টাকে
মনের খাচায় বেধে রাখবো
যেখানেই থাকি আমি …
যতই দুরে তুমি থাকো
হৃদয় আমার নাচেরে আজিকে……..১৮-০৮-২০২১
“যাহাকে ভালবাসি সে যদি না বাসে, এমনকি ঘৃণা ও করে, তাও বোধ করি সহ্য হয়। কিন্তু যাহার ভালবাসা পাইয়াছি বলিয়া বিশ্বাস করিয়াছি, সেইখানে ভুল ভাঙিয়া যাওয়াটাই সবচেয়ে নিদারুণ। পূর্বেরটা ব্যথাই দেয়; কিন্তু শেষেরটা ব্যথাও দেয়, অপমানও করে। ” – শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
হয়তো তুমি অনুভব করতে পারবে না তারপরও বলি “আমি না থাকলেও আমার ভালোবাসা তোমার সাথে ছায়া হয়ে থাকবে সবসময়” । যদি অবসরে আমার কথা মনে পরে তাহলে ঐ যে সুবিশাল নীল আকাশ টা দেখছ ওটার দিকে চোখ মেলে দেখবে,আর যদি ঐ আকাশ টা মেঘে ঢেকে থাকে তাহলে রাতের তারাদের দিকে তাকাও দেখবে আমার অস্তিত্ব। আর মনে রেখো আমি তোমায় আলো দেব ঐ পূর্ণ চাঁদের মতো। পাশে থাকবো ছায়ার মতো করে।ছাতা মত তোমাকে রোধ ও বৃষ্টি থেকে সবসময় রক্ষা করে যাব । হয়তো তুমি সেটি অনুভব করতে পারবে না। না হয় … না হোক অনুভব। আকাশ যেমন এই পৃথিবীকে আভরণ দিয়ে আগলে রেখেছে ঠিক আমি ও তো তোমায় আগলে রেখতে চেয়েছিলাম ঐ আকাশের মতো করে…
পৃথিবী(তোমার) অবলোহিত মিষ্টি রশ্মি প্রতিদান হিসাবে না দিলেও আমার বিন্দুমাত্র আফসোস হবে না… আমি তোমায় সবসময় আগলে রাখব সবসময় যেন অসহিস্নু কোন রশ্মি তমার ক্ষতি করতে না পারে …নিজে ক্ষত বিক্ষত হব অবিরত কিন্তু তোমাকে তা কক্ষনো বুঝতে দিব না … এটাই আমার ভালোবাসা
জীবনে আয়না ও ছায়ার মত বন্ধু খুবই প্রয়োজন। কারন, আয়না কখনো মিথ্যে বলে না আর ছায়া কখনো ছেড়ে যায় না।
ভালবাসার মানুষ এর কোন কিছু
অবহেলা করতে নাই
.
আপনার ছোট ছোট অবহেলা একদিন
তাকে
আপনার কাছ থেকে অনেক দুরে
সরিয়ে দিবে
জীবনে কখনো কাউকে পাওয়ার জন্য কাঁদবে না,
কারন যার জন্য তুমি কাঁদবে, সে কখনোই তোমার হবে না।
আরযে তোমার হবে, সে কখনোই তোমাকে কাঁদতে দিবে না।
কেউ যদি তোমায় ভুল বোঝে ..
তাকে তার ভুল বোঝার মাঝেই
থাকতে দাও ..
বিধাতা যেদিন সত্যটাকে
সামনে আনবেন ..
সেদিন সে বুঝতে পারবে
তোমাকে ভুল বোঝাটাই তার
জীবনের খুব বড় ভুল ..।।
কষ্ট নামের অনুভূতি টা মানুষকে মারতেপারে না ঠিকি। কিন্তু একজন মানুষের বেঁচেথাকার ইচ্ছেটাকে ভালো ভাবেই মেরেদেয়।
পৃথিবীর সবচেয়ে বড় দূরত্ব হলো যখন, আমি তোমার
পাশে থাকি কিন্তু তুমি জানো না যে আমি তোমাকে
কতটা ভালবাসি !!
—রবি ঠাকুর
কষ্ট পেলে কি
ভালবাসা হারিয়ে যায়?
কখনোই না !!………
যে ভালবাসতে জানে
সে হাজার কষ্টের
মাঝেও ভালবেসতে পারে……
তোমাকে ছাড়া আমার জীবনে
সব আগের মতই থাকবে
শুধু ,,
কিছু স্বপ্ন মিথ্যে হবে,
কষ্ট গুলো বেড়ে যাবে,
একাকীত্ব সঙ্গী হবে,
দুঃখ গুলো হাসবে,
আর হাসি গুলো হারিয়ে যাবে,
পথ চলাতে আমি একাই থেকে যাব,
হাতটা ধরার কেও থাকবে না,
সব কিছু আগের মতই থাকবে,
শুধু ,,
আমার আমি হারিয়ে যাব……..
প্রতিটি মানুষের জীবনে কেউ না কেউ আসে,
আমার জীবনেও তুমি এসেছিলে,
আবার চলেও গেলে,
কিন্তু সঠিক ভাবে যেতে পারনি,
কারন তুমি শারীরিক ভাবে গেছো, মানসিক ভাবে
যেতে পারনি,
তোমার মনের কোনো এক জায়গাতে আমি আছি
থাকবো,
আর তোমার সমস্ত সৃতি আমার এই মন জুড়ে আছে,
কখনো হারিয়ে যাবেনা……………..
যতই দূরে হারিয়ে যাওয় তুমি সঙ্গে কেড়ে নিয়ে
যেতে পারবেনা
তোমার সাথে কাটানো সময়ের সৃতি গুলো,
আর সেই সৃতি গুলোই আমার একমাত্র ভালোবাসা,
যা চাইলেই কখনো তুমি চিনিয়ে নিতে পারবেনা, যতই
চেষ্টা করো….
খুব বেশি লাজুক আর অর্ন্তরমুখী মানুষরা এক প্রকার অশান্তিতে ভোগে। সেটা হল সহজে সবার সাথে নিজের মনের কথাগুলো শেয়ার করতে না পারা।
কিন্তু চঞ্চল, বহির্মুখী মানুষরা বিশেষ করে পাগল টাইপের মানুষরা অলটাইম সুখ শান্তিতে থাকে,,
কেননা তারা খুব সহজে হুটহাট, জটাপট নিজের মনের কথাগুলো সবার সাথে শেয়ার করতে পারে
তাই মনের দিক থেকে তারা অলটাইম প্রানবন্ত থাকে…
বড় অবেলায় পেলাম তোমায়
কেন এখনি যাবে হারিয়ে ?
কি করে বলো রব একলা
ফিরে দেখো আছি দাঁড়িয়ে
কেন হঠাৎ তুমি এলে ?
কেন নয় তবে পুরোটা জুড়ে……
তোমায় মন দিয়েছি মন দেবো আরো,কিছু মন নিয়েছি মন নেবো আরো।।সহজ সত্যিটাকে গোপন রাখার,কোনো নিয়ম-কানুন নেই যে আমার।আমি জানি না সেই আচার-বিচার, মনের কোন কথা বলা ঠিক না।।আমি সবাইকে আজ বলে দিলাম,তোমায় হৃদয় দিয়ে বেঁধে নিলাম।দেখি কার আছে গো শক্তি এমন,আমায় কেড়ে নিতে চায় নিক না।
“শুধুমাত্র “ভালো লাগে” দেখেই মানুষটাকে
ভালোবাসিও না … মানুষটার সব কথা আর
কাজে তুমি আনন্দ পাও দেখেই তাকে
ভালোবাসিও না … মানুষটার সাথে থাকলে
তুমি নিজে ভালো থাকবা – এই জন্য
মানুষটাকে ভালোবাসিও না !! ভালোবাসার মানুষটার কাছ থেকে তুমি শুধু
আনন্দ পাবা, সারাক্ষণ খুশি থাকবা, ভালো
লাগার অনুভূতি অনুভব করবা – এমন তো হয় না
… ভালোবাসার মানুষটার কাছ থেকে তুমি
কষ্টও পাবা … ভীষণ কষ্ট !!
তার ঠোঁটের কোণে এক চিলতে হাসি দেখলেই যেমন নিমেষেই তোমার মন ভালো হয়ে যায় …
তেমনি তার চোখের কোণে এক ফোঁটা পানিতেই
তোমার মন খারাপ হয়ে যাবে … তার প্রতিটা
ব্যর্থতার পর হতাশাগুলা অবশ্যই তোমাকে
ছুঁয়ে দিবে … তার প্রতিটা কষ্ট তোমার বুকে
এসে বিঁধবে … তার প্রতিটা অভিমানে তোমার রাগ উঠবে … অনেক রাগ উঠবে !!
অতটা রাগ, দুঃখ, হতাশা আর কষ্টের পরেও
ভালোবাসা থাকবে … ওটাই স্থায়ী, বাকি সব
ক্ষণিকের জন্যই !!
দুইটা মানুষ একই সাথে শুধুমাত্র সুখে
থাকাটাই তো ভালোবাসা না … দুইটা মানুষ একই সাথে কষ্ট পাওয়ার মাঝেও ভালোবাসা
থাকে, অনেক বেশি ভালোবাসা থাকে !!
শুধু ভালোলাগার অনুভূতিগুলোই না,
ভালোবাসার মানুষটার প্রচন্ড খারাপ লাগা
কষ্টগুলো আর হতাশাগুলোও অন্য মানুষটাকে
ছুঁয়ে যাক … দুটো মানুষকেই একসাথে ছুঁয়ে যাক !!
কেবল বসন্ত হয়েই ভালোবাসা আসবে
কেন ?? … মাঝে মাঝে বিধ্বংসী ঝড় হয়েও
ভালোবাসা আসুক … কখনো কখনো কাঠফাটা
রোদ হয়ে ভেতরটা পুড়িয়ে দিক … কিংবা মেঘ
হয়ে কিছুটা সময় জমে থাকুক … তারপর হুট করে বৃষ্টি হয়ে ঝরে পড়ুক … ক্ষতি নেই …
সত্যিকারের ভালোবাসায় কোন ক্ষতি নেই !!”
কারো কষ্ট অন্য কেউ বুঝতে পারে না।যার যারকাছে তার নিজের কষ্ট টা ঈ বড়। এইসার্থেরদুনিয়াতে কেউ কাউ কে কখন ও ঈ বুঝতেচাই না।.একজন অন্যের কষ্ট টা তখন ই বুঝতে পারেযখন সেসেটা অনুভব করতে পারে। আর কেউ তখনই সেটাবুঝে যখন সে যখন তাকে মন থেকেভালবাসে…!!
পৃথিবীতে তারাই বেশি ভালোবাসা পায়,
যারা অভিনয় করতে পারে যারা ইনিয়ে
বানিয়ে
গুছিয়ে সুন্দর করে কথা বলতে পারে,
যারা মানুষকে হাঁসাতে পারে,
ভালোবাসা পায় না কেবল মাত্র সুন্দর
মনের মানুষগুলো।
কারন…।।
এরা অভিনয় করতে জানে না এরা ইনিয়ে
বানিয়ে
গুছিয়ে সুন্দর করে কথা বলতে পারে না।
এরা মানুষের আবেগ নিয়ে খেলতে পারে
না…।।
এরা মিথ্যাকে সত্য
বানিয়ে বলতে পারে না এরা মানুষকে
হাঁসাতে পারে না…..।।
ভালবাসা
এমন এক জিনিস যা সহজে পাওয়া
যায় না ভালবাসা এমন এক জিনিস
যা সহজে শেষ হয় না| ভালবাসা
এমন এক জিনিস যা স্বর্গের মত
তুল্য, ভালবাসা এমন এক জিনিস
যার পৃথিবীতে রয়েছে অনেক মূল্য|
ভালবাসা এমন এক জিনিস কারো
জন্য হাজারটা পড়েলয় ভালবাসা
এমন এক জিনিস, কারো কারো
জন্য এটা নাহি সয়| ভালবাসা এমন
এক জিনিস যা কাউকে করে উন্নত
করে দেই, ভালবাসা এমন এক
জিনিস যা কারো সব কিছু ছিনিয়ে
নেই| ভালবাসা এমন এক জিনিস যা
কাউকে মৃত্যুর হাত থেকে তুলে নেই
ভালবাসা এমন এক জিনিস যা
কাউকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেই| এই
পৃথিবীতে রয়েছে ভালবাসার অনেক
রঙ বা ধরন ভালবাসাকে জয় করতে
গিয়ে হয় কারো মরণ
শুধু তোমাকে ভেবে নির্ঘুম রাতগুলোকেটে যায় ,রাতের নীরবতা আর কষ্টেরতীব্রতায়মাঝে মাঝে এ চোখ ভিজে যায় ।জানি না এ কেমন কষ্ট ,বোঝাতে পারিনা নিজেরঅজান্তে নিজেকে এক পরাজিতমানুষ মনে হয় ।হ্যাঁ জীবনের কাছে একটু একটুকরে যেন হেরে যাচ্ছি ,পরিচিত সবমানুষগুলো অচেনা আজ….আর বেঁচে থাকার আনন্দ ও সুখসে তো কবেই বিদায় নিয়েছে এ মনথেকে….কান্না ভরা এ চোখে শুধুফিরে পাওয়ার এক অনন্ত অপেক্ষা ,জানি আমি জানি আমি ফিরেপাবোনা ,হ্যাঁ আমি ফিরে পাবো না আর আমারসোনালি স্বপ্ন প্রতীক্ষিত কোনএক প্রাপ্তিতে এ মন প্রাণখুলে হাসবে না আর কোনদিন ।হারিয়েছি তোমাকে নামক যে রচিতকাব্য তার অধ্যায় কোনদিনও শেষহবে না ,পোড়াবে আমায় , জীবনেরপ্রতিটি পাতায় পাতায় যেন কষ্টেরদেয়ালে কষ্টেরজলছবি আঁকা থাকবে ,হয়তো এভাবে আমাকে প্রতিটিনির্ঘুমরাতে কাঁদাবে , আর বার বারমনে করিয়ে দিয়ে যাবে মনথেকে হারিয়ে যাওয়া একজন কে ।যাকে মন আজীবন ভালোবেসে যায়।
জীবনে কিছু কিছু প্রশ্ন থাকে
যার উক্তর কখনো মিলে না
জীবন চলার পথে কিছু ভুল হয়ে যায়
যা হাজার চেষ্টার পরও শুদ্রনো যায় না
কিছু কষ্ট বুকের ভিতর জন্ম নেয়
যা অসীম সুখ দিয়েও আড়াল করা যায় না ।
তেমনি প্রতিটি মানুষের জীবনে
এক জন মানুষ আসে
যা হারিয়ে গেলেও তাকে কখনোই
ভুলা যাওয়া সম্ভব হয়না ।
আমার ভালবাসার মানুষটার জন্য মাঝে মাঝে মন হাহাকার
করে । মনে হয় আমি আমার জীবনের সবচেয়ে দামী
জিনিসটাকেই হারিয়ে ফেলেছি ।
আর মনে হয় আমার Sona Pakhi হয়তো আমাকে হারিয়ে
ভালই করেছে ।
কারণ, আমাকে বিয়ে করলে হয়তো সে সুখী হতোনা ।
প্রতিটি মানুষের জীবনে গোপন কিছু কষ্ট রয়েছে ।
কেউ সেই কষ্ট দূর করতে পারে, আবার কেউ পারেনা ।
কেউ সেই কষ্টকে দূরে ফেলে, জীবনটাকে উপভোগ করতে
পারে,
আবার কেউবা সেই কষ্টকে আকড়ে ধরে, জীবনটাকে তিলে
তিলে ধ্বংস করে ।